সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

আপনি পড়ছেন : সম্পাদকীয়

আজ বিশ্ব চিঠি দিবস


কাজী এহসানুল হক জিহাদ

eshomoy.com || 2025-09-01 12:42
আজ বিশ্ব  চিঠি দিবস


আজ ১লা সেপ্টেম্বর, আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস। একটা সময় ছিল যখন চিঠি ছিল যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। দূরে থাকা প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা বিনিময়ের একমাত্র উপায় ছিল হাতে লেখা চিঠি। সেই চিঠিগুলো শুধু কাগজ আর কালি ছিল না, ছিল একেকটি আবেগ, একেকটি ইতিহাস। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রথা এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।


ব্রিটিশ কথাসাহিত্যিক সমারসেট মম একবার বলেছিলেন, চিঠি লেখা একটি হারিয়ে যাওয়া শিল্প। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে তার সেই কথাটিই যেন সত্যি বলে মনে হয়। একটা সময় ছিল যখন কবি রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ 'ভালো আছি ভালো থেকো আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো' গানের এই পঙক্তিগুলো লিখেছিলেন। তখন কি তিনি ভেবেছিলেন যে সত্যিই একদিন মানুষ আকাশের ঠিকানায় অর্থাৎ ইন্টারনেটে (ই-মেইলে) চিঠি লিখবে?


বদলে গেছে যোগাযোগের মাধ্যম


আগেকার দিনে শের শাহের ঘোড়ার ডাকের মাধ্যমে চিঠি আদান-প্রদান করা হতো। তারও আগে কীভাবে চিঠি পাঠানো হতো, তা নিয়ে ইতিহাসবিদদের মধ্যে দ্বিমত রয়েছে। তবে আজকের দিনে অফিসিয়াল কাজ বা আবেদনপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন ছাড়া খুব কম মানুষই ডাকঘরে যান। অথচ একসময় প্রিয়জনের চিঠি পাওয়ার জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করা ছিল এক অন্যরকম অনুভূতি।


শুধু দূরের মানুষের জন্যই নয়, মনের গভীরের না বলা কথাগুলোও যত্ন করে সাজিয়ে নেওয়া হতো চিঠির পাতায়। ভালোবাসার প্রকাশ, দুঃখের ভাগাভাগি, বা আনন্দের খবর — সবই থাকত এক একটি চিঠিতে। হাতে লেখা সেই চিঠিগুলো ছিল হৃদয়ের গভীরতম অনুভূতির প্রতিচ্ছবি।


আজকের এই ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন, ই-মেইল, এবং বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপের কারণে মানুষ মুহূর্তের মধ্যে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। দ্রুত যোগাযোগের এই মাধ্যমগুলো অনেক সুবিধা দিয়েছে, কিন্তু এর মধ্য দিয়ে হারিয়ে গেছে চিঠির সেই ব্যক্তিগত স্পর্শ। এখন আর কেউ যত্ন করে চিঠি লেখে না, বা ডাকপিয়নের জন্য অপেক্ষা করে না।


আন্তর্জাতিক চিঠি দিবসে এই হারিয়ে যাওয়া মাধ্যমটিকে স্মরণ করে অনেকেই নস্টালজিক হয়ে পড়ছেন। অনেকেই বলছেন, যদিও আধুনিক প্রযুক্তি যোগাযোগকে অনেক সহজ করেছে, তবুও চিঠির সেই গভীর আবেগ এবং মানবিক স্পর্শ আর কোনো মাধ্যমে পাওয়া সম্ভব নয়। চিঠি ছিল সময় এবং যত্নের প্রতীক, যা এখন দ্রুতগতির এই জীবনে প্রায় অনুপস্থিত।