চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১০ নং আহলা করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের বোয়ালখালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বোয়ালখালী-পটিয়া সড়কে কিছু অপ্রিতীকর ঘটনার কারণে মামলাটি দায়ের করা হয়।
আরও পড়ুন- ভূরুঙ্গামারীতে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদান
উক্ত মামলায় করলডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. হামিদুল হক মান্নান সহ বিএনপির ২৭ নেতাকর্মীর নাম ও অজ্ঞাত আরো ২০/২২ জনের বিরুদ্ধে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বোয়ালখালী-পটিয়া সড়কে পথরোধ করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ ককটেল বিস্ফোরণ করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে মামলায়।
৯ নং আমুচিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ০২ টি ছোট টিনের কোটা সদৃশ, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশ বিশেষ, ৮টি বিভিন্ন সাইজের কাঁচের টুকরো এবং ৬টি বিভিন্ন সাইজের গাছের লাঠি ও ০৫ টি ভাঙা ইটের টুকরো উদ্ধার করেছে বলে মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আছহাব উদ্দিন বলেন, বাদীর লিখিত এজাহার পেয়ে রাতেই মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ, আগে গত ০২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার শাকপুরা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি মো. নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে উপজেলা বিএনপির ১৫ জনের নামে ও অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জন বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন।
এছাড়া গত ৩১ জুলাই শাকপুরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম জাহাঙ্গির বাদী হয়ে ১২ জন বিএনপির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে এবং আরও ১৪০-১৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বোয়ালখালী থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন।
আরও পড়ুন- ব্রাজিল দলে ৮৫২ কোটি টাকা দামের কে এই বিস্ময়বালক?
মামলার ব্যাপারে বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইসহাক চৌধুরী নিন্দা জানিয়ে বলেন, দলের কোন নেতাকর্মীরা এ ধরনের কোনো ঘটনাই ঘটায়নি। একের পর এক মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর দমন নিপীড়ন চালানো হচ্ছে।
ইসময়/এসআই/এমআরএম