সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬

১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে আমবোঝাই ট্রাক খাদে, ব্যবসায়ী নিহত

>> তাড়াশে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ

>> বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিয়ামের

>> খাল খনন শেষে বিপুল পরিমাণে টাকা ফেরত দিয়ে প্রশংসা কড়িয়েছেন দুই ইউএনও

>> হাতীবান্ধায় ফিলিং স্টেশনে মিলছে না পেট্রোল-অকটেন, কর্তৃপক্ষের দাবি ‘সরবরাহ বন্ধ’

>> বকশীগঞ্জে ২০০ অসহায় পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে জিআর চাল বিতরণ

>> সিরাজগঞ্জে ট্রাক-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নারী গুরুতর আহত, ঢাকায় রেফার্ড

>> সিরাজগঞ্জে বাস চালককে জরিমানা করায় সড়ক অবরোধে বাজার স্টেশনে তীব্র যানজট

>> বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) অনুমতি ছাড়াই রায়গঞ্জে চলছে ‘মিনি পেট্রোল পাম্প

>> মাত্র এক হাজার টাকার বিরোধে যুবককে হত্যা মামলার মূল আসামি শাহীন গ্রেফতার

আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

"ব্লক রেইডের" নামে মোহাম্মদপুরে গণগ্রেফতার।

গ্রেফতারকৃতদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি স্বজন ও সহপাঠীদের।


আবরার আলম নাবিল, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2024-08-01 ৬:৪৫


গতকাল (৩১ জুলাই ২০২৪) রাত নয়টার সময় মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লা রোডের বিভিন্ন বাসায় অভিযান চালায় মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। অভিযানে পুলিশ সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই গণহারে গ্রেফতার করেছে বলে অভিযোগ করেছে এলাকাবাসি। আব্দুল্লাহ তালিব নামে আজিজ মহল্লার এক বাসিন্দা জানান, গতকাল রাতে তার পরিচিত নয়জনকে এক বাসা থেকে সাদা পোশাকে এসে তুলে নিয়ে যায় কিছু লোক, পরবর্তিতে জানা যায় তারা মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। যাদের কে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয় তারা হলেন রিপন, সাকিফুর রহমান, সাদ্দাম হোসাইন, আব্দুল্লাহ আল রাফি ভূঁইয়া, আমিনুল ইসলাম সোহাগ, ইমতিয়াজ, আবু ইছা, মোস্তফা ও মশিউর। তাদের মধ্যে রিপন ও মোস্তফা চাকরিজীবী এবং বাকীরা সবাই সাধারণ ছাত্র।

গেফতারকৃত মোস্তফার বোনের সাথে কথা বলে জানা যায়, মোস্তফা এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কোটা আন্দোলনের সাথে তার ভাই সম্পৃক্ত না থাকার সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি জানান, থানায় আমি কয়েকবার আমার ভাইয়ের সাথে দেখা করতে চেয়েছি, কিন্তু মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আমাকে দেখা করতে দেয়নি। আমার ভাই নিরাপরাধ, অবিলম্বে আমার ভাইয়ের মুক্তি চাই।

সাকিফুর রহমানের সহপাঠী নিয়াজ বলেন, থানায় তাদেরকে শিবির পরিচয় দিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়ার জন্য বেশ জোরাজোরি করা হয় এবং এক পর্যায়ে অমানবিক নির্যাতন করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। আজ দুপুর প্রায় সাড়ে ১২টার সময় তাদের মোহাম্মদপুর থানা থেকে "কাউন্টার টেরিরিজম" ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তাদের খোজ পাওয়া যাচ্ছে না। আমার সকল বন্ধু এবং ভাইদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।