জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের ভূখণ্ড নয় এবং এটি কখনই ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতি পাবে না। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে এমন কথা বলেছে পাকিস্তান।
আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, কাশ্মীর ভারতের অংশ নয়, ছিলও না এবং হবেও না। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে এক বক্তৃতায় পাকিস্তান মিশনের কাউন্সিলর এবং রাজনৈতিক সমন্বয়কারী গুল কায়সার সারওয়ানি বলেন।
তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি বিতর্কিত অঞ্চল। এটি কেবল পাকিস্তানের নয়; এটি জাতিসংঘেরও বিষয়।
ভারত নিজেই বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদে নিয়ে গেছে এবং জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে গণভোটের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণকে তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অনুমতি দেয়ার বাধ্যবাধকতা মেনে নিয়েছে।
যদিও প্রায় আট দশক পরেও, সেই প্রতিশ্রুতি অপূর্ণ রয়ে গেছে বলে জানান তিনি।
সারওয়ানি আরও বলেন, অথচ তার পরিবর্তে, ভারত বিশাল সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখে, মৌলিক স্বাধীনতা দমন করে, স্বাধীন কণ্ঠস্বরকে রোধ করে এবং ভূখণ্ডের জনসংখ্যাগত চরিত্র পরিবর্তনের লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করে – যা আন্তর্জাতিক আইন এবং দখলদার শক্তি হিসেবে তার আইনি বাধ্যবাধকতার চরম লঙ্ঘন।
এদিকে, সিন্ধু জল চুক্তি সম্পর্কে সারওয়ানি বলেন, সিন্ধু জল চুক্তি সম্পর্কে ভারতের মন্তব্য তথ্যের ইচ্ছাকৃত বিকৃতি এবং একটি বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তির ভুল ব্যাখ্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।
সিন্ধু জল চুক্তির কোনো বিধানই একতরফা স্থগিতাদেশ, পরিবর্তন বা তথাকথিত স্থগিত রাখার অনুমতি দেয় না। এই ধরনের পদক্ষেপ সংকীর্ণ রাজনৈতিক লাভের জন্য অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের শামিল।
গত এপ্রিল মাসে পহেলগাম হামলাকে কেন্দ্র করে ভারত-পাকিস্তান পাল্টাপাল্টি সংঘাত শুরু হয়। এরপর ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি স্তগিত করে। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে জটিলতা সৃষ্টি হয়।
সূত্র: জিও নিউজ