বাংলাদেশি দুই যুবক কাজের জন্য অবৈধভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। ফেরার পথে ওই দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয় কুচবিহারের মেখলিগঞ্জের চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে। ৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) এ তথ্য জানানো হয়েছে হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে। ভারতীয় পুলিশ খতিয়ে দেখছে গ্রেপ্তাররা কাজের জন্য ভারতে প্রবেশ করেছিল কি না, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে।
ওই দুই যুবক ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে কাশ্মীরে কাজে গিয়েছিলেন, পুলিশ আটক করার পর জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পেরেছে।
ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে ৪০ জন বাংলাদেশিকে আটক করেছে পুলিশ অবৈধভাবে অবস্থানের দায়ে। তাদের আটক করা হয় ৩০ নভেম্বর (মঙ্গলবার) মুম্বাই থেকে।
১ ডিসেম্বর (বুধবার) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএনআই।
মুম্বাইয়ের ভিওয়ান্ডি শহর ও এর আশপাশের এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়, জানিয়েছেন -ভারতীয় এক কর্মকর্তা।
আটকদের কাছ থেকে জাল পাসপোর্ট ও পরিচয়পত্র জব্দ করা হয়েছে, জানিয়েছেন, ভিওয়ান্ডি শহরের জোন-২-এর ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ (ডিসিপি) যোগেশ চভন। আটক বাংলাদেশিরা ভারতের বিভিন্ন স্থানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় পাসপোর্ট আইনে এবং বিদেশি নাগরিক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তিনি জানান ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, আটক বাংলাদেশিরা ভুয়া নথিপত্রে মুম্বাই, গুজরাট এবং ভিওয়ান্ডির বিভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। এ ছাড়া তারা রেশন কার্ডও তৈরি করে ফেলেছিলেন। এর মাধ্যমে রাজ্যের তারাও রাজ্যের সামাজিক সুরক্ষার সুবিধা ভোগ করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রসঙ্গত, ১৩ বাংলাদেশিকে আটক করে পুলিশ গত ২৩ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের নাগপুরের রেলস্টেশনের একটি ট্রেন থেকে। তারা সবাই ভারতে পাচারের শিকার হয়েছিলেন।