নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু মারা গেছেন? নাকি জীবিত আছেন? এসব প্রশ্নের জবাব চেয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট ১৩ ডিসেম্বর (সোমবার) ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে। নেতাজির রহস্যময় অন্তর্ধান নিয়ে যত তথ্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আছে, দুমাসের মধ্যে হলফনামার আকারে তা হাইকোর্টে জমা দিতে হবে, জনস্বার্থে করা একটি মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত নির্দেশ দিয়েছে। নেতাজির ছবি ব্যবহার করা যায় কি না টাকার নোটে, মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে সে সম্পর্কেও।
স্বাধীনতার পর থেকে দেশের কোনো সরকার এই প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি নেতাজির অন্তর্ধানের রহস্য ভেদ করতে একাধিক কমিশন গঠিত হলেও। ১৯৪৫ সালের তাইহোকু বিমান দুর্ঘনায় তার আদৌ মৃত্যু হয়েছে কি না, সে প্রশ্নেরও চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি।
আদালত নতুন করে নেতাজির তথ্য চেয়ে নির্দেশ দিয়েছেন হরেন বাগচী বিশ্বাস নামের এক ব্যক্তির রিটের জবাবে। মহাত্মা গান্ধীর মতোই নেতাজির ছবিও ভারতীয় নোটে ব্যবহার করা যায় কি না, সে বিষয়ে রিটে মতামত জানতে চেয়েছেন হরেন বাগচী কেন্দ্রীয় সরকারের।
দেশটিন সলিসিটর জেনারেল, প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি শুনানির জন্য ওঠলে এ নিয়ে সব প্রশ্নের জবাব দিতে সময় চেয়েছেন। যাবতীয় প্রশ্নের উত্তরসহ হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত তার আরজি মেনে আট সপ্তাহের মধ্যে।