যুক্তরাজ্যে সাধারণ নির্বাচন আজ, ৪ জুলাই, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হবে এবং চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত। এই নির্বাচনের মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের জন্য হাউস অব কমন্সের ৬৫০ জন সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচন করবেন ভোটাররা।
এবারের নির্বাচনে অন্তত ৯৮টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে, যদিও ৩৫টি দলের মনোনীত প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র একজন করে। ২০১০ সালের নির্বাচনে ৪,১৫০ জন প্রার্থীর রেকর্ড ভেঙে এবার ৪,৫১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গড়ে প্রতিটি আসনে ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন, যেখানে ৩১৭টি আসনে ৪৫৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই গণনা শুরু হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পাওয়া দলকে সরকার গঠনের এবং দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আহ্বান জানাবেন যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লস। দ্বিতীয় সর্বাধিক আসন পাওয়া দল প্রধান বিরোধী দল হবে এবং তাদের নেতা প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হবেন।
যদি কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন না পায়, তাহলে সেটি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট হবে। এমন পরিস্থিতিতে সর্বাধিক আসন পাওয়া দলটি অন্য দলের সঙ্গে জোট সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে অথবা সংখ্যালঘু সরকার হিসেবে কাজ করতে পারে। তবে সে ক্ষেত্রে পার্লামেন্টে কোনো আইন পাস করানোর জন্য অন্যান্য দলের সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে হবে।
৯ জুলাই নতুন পার্লামেন্ট সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৭ জুলাই রাজা তৃতীয় চার্লসের উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে।
এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের মনোনয়নে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিকও প্রার্থী হয়েছেন। এর বাইরে কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন। সব মিলিয়ে অন্তত ৩৪ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।