সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : অর্থনীতি

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে দেশের অর্ধেক শিল্প কারখানা বন্ধের শঙ্কা!


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-15
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে দেশের অর্ধেক শিল্প কারখানা বন্ধের শঙ্কা!
সংগৃহীত ছবি

দেশের টেক্সটাইল শিল্পে দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের সঙ্গে যোগ হয়েছে ডলারের বাড়তি দামের চাপ, যার ফলে তৈরি হয়েছে তীব্র মূলধন ঘাটতি। এর প্রভাবে কারখানাগুলোর উৎপাদন সক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার দক্ষ শ্রমিক। উদ্যোক্তাদের আশঙ্কা, সংকট থেকে দ্রুত উত্তরণ না হলে ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দেশের বড় শিল্প খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় অভিযোগ এখন নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের সংকট। এই সমস্যা থেকে এখনো কার্যকরভাবে বের হতে পারেনি সরকার। ফলে কমছে সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা, বাড়ছে বেকারত্ব এবং পূরণ হচ্ছে না ব্যবসায়িক লক্ষ্য। বিশেষ করে টেক্সটাইল খাতে ব্যবসা সংকুচিত হওয়ায় জ্বালানির চাহিদাও কমেছে। এই ধারাবাহিকতায় গেল এক বছরে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে খাতটিতে কিছুটা স্বস্তি এলেও সার্বিক সংকট এখনো কাটেনি।

 

তবে ঢাকার আশপাশের কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে জ্বালানি সংকটের কারণে সক্ষমতার এক-তৃতীয়াংশ মেশিন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন টেক্সটাইল উদ্যোক্তারা। এনজেড টেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সালেউদ জামান খান বলেন, অনেক কারখানা এখন মাত্র ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। ফলে গ্যাসের চাহিদাও কমে গেছে। এ কারণেই হয়তো বর্তমানে কিছু ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। তবে কিছু কারখানায় এখনও গ্যাস সংকট রয়েছে, যেগুলো কার্যত আন্ডার-ডাউন অবস্থায় আছে।

 


ইন্টিমেট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বলেন, ওভেনে তাদের মোট সক্ষমতা ৬০ শতাংশ হলেও গ্যাস সংকটের কারণে ৪৫ শতাংশ মেশিন চালু রাখা যাচ্ছে। বাকি ১৫ শতাংশ মেশিন গ্যাসের অভাবে বসে রয়েছে।

 

এদিকে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে উদ্যোক্তাদের মূলধন কমে গেছে প্রায় ৩৫ শতাংশ। উদ্যোক্তাদের আশঙ্কা, জ্বালানি ও অর্থ সংকট কাটিয়ে ওঠা না গেলে ২০২৬ সালের মধ্যে টেক্সটাইল খাতে অর্ধেক মেশিন বন্ধ হয়ে যাবে। এতে উৎপাদন ক্ষমতা নেমে আসবে অর্ধেকে এবং চাকরি হারাবে লাখো কর্মী। মো. খোরশেদ আলম বলেন, বর্তমানে কাঁচামাল আমদানিতে আগের তুলনায় ৩৫ শতাংশ কম ডলার ব্যবহার করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ প্রায় ৫০ শতাংশ টেক্সটাইল কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

বিনিয়োগ অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে ব্যাংকাররা বলছেন, আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসায় বিনিয়োগে উদ্যোক্তা ও ব্যাংকের অংশীদারিত্ব সাধারণত ৫০-৫০ হলেও বাংলাদেশে তা ভিন্ন। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেত বলেন, দেশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিনিয়োগের ৮০ শতাংশ বা তারও বেশি আসে ব্যাংক থেকে, আর উদ্যোক্তার নিজস্ব বিনিয়োগ থাকে মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ। আন্তর্জাতিকভাবে এমন চিত্র দেখা যায় না।

 


তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তাদের নিজস্ব ইকুইটি শক্তিশালী করা