সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে এইচএসসির ফলাফলে দুই কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী।

>> সিলেটের এমসি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৯৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ শিক্ষার্থী।

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

হত্যার পর ২৬ টুকরা, যে কারণে খুন হন আশরাফুল


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-14
হত্যার পর ২৬ টুকরা, যে কারণে খুন হন আশরাফুল
সংগৃহীত ছবি

বন্ধুর সঙ্গে তিনদিন আগে ঢাকায় আসেন ব্যবসায়ী আশরাফুল হক। একদিন পরই পরিবারের সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় যোগাযোগ। পরদিন হাইকোর্টের সামনে দুটি ড্রামের ভেতর পাওয়া যায় আশরাফুলের ২৬ টুকরা মরদেহ।

পুলিশ বলছে, টাকা লেনদেন সংক্রান্ত কোনো কারণে এই হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে। পরিবারের দাবি, আশরাফুলের বন্ধুই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।  

 

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আশরাফুলের বন্ধু জরেজকে আসামি করে শাহবাগ থানায় মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

 

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হাইকোর্টের পাশে নীল রঙের দুটি ড্রামের ভেতর থেকে ২৬ টুকরা খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পরিচয় শনাক্ত করা না গেলেও পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বিশ্লেষণে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হয় সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।

 

নিহত আশরাফুল হক (৪২) রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে মো. আব্দুর রশিদের ছেলে।

 

এদিকে, নিহত ব্যবসায়ীর মরদেহ নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে এসেছেন তার পরিবাররের সদস্যরা। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাইকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বোন আন্দ্রিতা খাতুন। মর্গে আসা পরিবারের অন্য সদস্যরাও শোকে কাতর।

পরিবার জানায়, আশরাফুল ছিলেন কাঁচামালের ব্যবসায়ী। গত মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে বন্ধু জরেজের সঙ্গে বাড়ি থেকে ঢাকায় যান আশরাফুল হক। পরদিন বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। এরপর থেকে আর তার খোঁজ পাওয়া যায়নি।

 

পুলিশ বলছে, পাওনা টাকা আদায়ে ঘটতে পারে এ হত্যাকাণ্ড। ঘটনার পর থেকেই আশরাফুলের বন্ধু জরেজ পলাতক রয়েছেন। তাকে ধরতে প্রযুক্তিগত ও ম্যানুয়াল দুইভাবেই নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

 

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মুনসুর বলেন, ‘তদন্তের পর আশরাফুল হক হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হবে। আরেকটু সময় গেলে হয়তো মূল ঘটনা জানতে পরবো।