সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

গাজীপুরে নার্স দিয়ে সন্তান প্রসবের চেষ্টায় নবজাতকের মৃত্যু


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-07
গাজীপুরে নার্স দিয়ে সন্তান প্রসবের চেষ্টায় নবজাতকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের শ্রীপুরে চিকিৎসক ছাড়াই নার্সকে দিয়ে প্রসূতির সন্তান ভূমিষ্ঠের চেষ্টা করায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচার দাবিতে শনিবার (৬ ডিসেম্বর) রাতে নবজাতকের মরদেহ নিয়ে থানায় যান শিশুটির মা–বাবা ও স্বজনরা।

শনিবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার মাওনা চৌরাস্তা এলাকার আল রাজি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।


মৃত নবজাতক গাজীপুর ইউনিয়নের আজুগিরচালা গ্রামের নাজমুল ইসলাম ও শারমিন আক্তার দম্পতির সন্তান।


নাজমুল ইসলাম বলেন, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্ত্রীকে সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য আল রাজি হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ১৩ হাজার টাকায় চুক্তি হয়। কিন্তু তারা সিজার না করে নরমাল ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করতে থাকে।


তিনি অভিযোগ করেন, হাসপাতালে কোনো চিকিৎসকই ছিলেন না। কল্পনা নামে এক নার্স ডেলিভারির কাজ করেন। তার ভুল চিকিৎসার কারণেই আমার নবজাতক মারা গেছে। প্রতিবাদ করায় কর্তৃপক্ষ উল্টো আমাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে।


প্রসূতি শারমিন আক্তার বলেন, আমাকে কয়েকটি ইনজেকশন দেয়ার পর কয়েকজন নার্স অনেক কষ্ট দেয়। শেষে জরায়ুর মুখ কেটে বাচ্চা বের করে আনে। তখনই বুঝতে পারি বাচ্চা বাঁচেনি।

হাসপাতালের দায়ীদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মো. রাসেল মিয়া বলেন, আজ হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক ছিল না। আমি নার্স কল্পনাকে রোগী ভর্তি না করতে বলেছিলাম। পরে কীভাবে রোগী ভর্তি হলো, জানি না।


নিজেকে নার্স দাবি করা কল্পনা আক্তার বলেন, আমি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক নার্স নই, অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে অপারেশন থিয়েটারে কাজ শিখেছি। আজ চিকিৎসক না থাকায় রোগীকে বাঁচাতে প্রসব করানোর চেষ্টা করি। নবজাতক জন্মের পর কান্না না করায় অন্য হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক জানান, বাচ্চা মারা গেছে।


শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনা সম্পর্কে জানানো হয়েছে জেলা সিভিল সার্জনকে। নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।


শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহম্মদ আবদুল বারিক বলেন, নবজাতকের স্বজনরা মরদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন। তাদের লিখিত অভিযোগ নেয়া হয়েছে। ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।