সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে এইচএসসির ফলাফলে দুই কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী।

>> সিলেটের এমসি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৯৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ শিক্ষার্থী।

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে অংশীজন অন্তর্ভুক্তিতে সরকারের অনাগ্রহে কোম্পানিগুলোর উদ্বেগ


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-14
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে অংশীজন অন্তর্ভুক্তিতে সরকারের অনাগ্রহে কোম্পানিগুলোর উদ্বেগ
সংগৃহীত ছবি

তামাক শিল্পের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো এক যৌথ বিবৃতিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনীর ক্ষেত্রে যথাযথ সংসদীয় প্রক্রিয়া এবং অংশীজন-অন্তর্ভুক্তিমূলক আলোচনা ছাড়াই অনুমোদনের চেষ্টা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তামাক শিল্পের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের মতে, প্রস্তাবিত সংশোধনী দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগ পরিবেশ, পণ্যের মান এবং সর্বোপরি সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জীবিকায় দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) যৌথ বিবৃতিতে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটি বাংলাদেশ), ফিলিপ মরিস বাংলাদেশ এবং জেটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এক যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

 

যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা সরকারের জনস্বাস্থ্য রক্ষার প্রতিশ্রুতিকে সম্পূর্ণ সমর্থন করি। তবে খসড়া অধ্যাদেশে প্রস্তাবিত কিছু ধারা বাস্তব প্রমাণভিত্তিক নয় এবং এগুলো প্রান্তিক জনগণের জীবিকা ঝুঁকির মুখে ফেলবে। এরইমধ্যে ব্যাপকতর রূপ লাভ করা অবৈধ সিগারেটের বাজারকে আরও ত্বরান্বিত করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকির ঝুঁকি বাড়াবে এবং বিদেশি বিনিয়োগকে নিরুৎসাহিত করবে। যা বর্তমান সংকটাপন্ন তামাক শিল্পকে আরও ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

 

প্রস্তাবিত নেতিবাচক ধারাসমূহের মধ্যে একটি হলো সিগারেট তৈরির উপাদান এর উপর নিষেধাজ্ঞা। যা দেশের বর্তমান সিগারেট উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করবে। নিষিদ্ধের প্রস্তাবে থাকা উপাদানগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন ও সংরক্ষণের জন্য অপরিহার্য এবং পণ্যের গুণগতমান নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও  বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

 

পাশাপাশি ব্যবসার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য ধারা, যেমন সিগারেট বিক্রির ক্ষেত্রে খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা, যা বর্তমানে বিদ্যমান প্রায় ১৫ লাখ খুচরা বিক্রেতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের জন্য লাইসেন্স প্রাপ্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত খুচরা বিক্রেতাদের কাছে তামাকজাত পণ্যের বৈধ বিক্রয় কার্যক্রম ও খাত-সম্পর্কিত প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার তামাক চাষির জীবিকাও বিঘ্নিত হবে। এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ন্যায্য ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং যথাযথ অংশীজন পরামর্শ অপরিহার্য।

 

এছাড়াও, প্রস্তাবিত ধোঁয়াবিহীন নিকোটিন ও তামাকজাত পণ্যের নিষেধাজ্ঞা প্রাপ্তবয়স্ক ভোক্তাদের জন্য সিগারেটের তুলনায় সম্ভাব্য কম ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্পের সুযোগ কেড়ে নেবে, যা তাদের ধূমপান থেকে সরে আসার পথকে আরও কঠিন করে তুলবে। এই পণ্যশ্রেণির নিষেধাজ্ঞা বিদ্যমান অবৈধ বাজারকে আরও প্রসারিত করবে যেমনটি ভারত ও অস্ট্রেলিয়ার মতো অন্যান্য দেশে দেখা গেছে। এই সকল অবৈধ পণ্য কোনো নিয়ন্ত্রণের আওতায় না থাকায় গুণগতমান মানসম্মত হবে না, যা ভোক্তাদের জন্য আরও ঝুঁকি বৃদ্ধি করবে।

 

সামগ্রিকভাবে অংশীজন-অন্তর্ভুক্ত পরামর্শ ছাড়া এ প্রস্তাবিত সংশোধনী পাস করা হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি ও জনস্বাস্থ্য উভয়ের জন্যই উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি সৃষ্টি করবে। আমরা সরকারের প্রতি আহ্বান জানাই উৎপাদক, কৃষক, প্রান্তিক খুচরা বিক্রেতা, হকার, প্রিন্টিং প্রেস এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত বিবেচনায় নেওয়ার