আজ ১৩ অক্টোবর রোজ সোমবার, সিলেটের গোলাপগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংঘঠন জালালাবাদ আদর্শ সংঘের উদ্যোগে ১৫ জন বালককে খৎনা দেওয়া হয়।
খৎনা ক্যাম্প পরিচালনা করেন ডা. মোহাম্মদ নরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ আদর্শ সংঘের প্রতিষ্ঠাকালীল সদস্য জুবের আহমদ খান, ফারুক আহমদ, আরশাদ মাহমুদ কফিল,সাদিকুর রহমান রুফ, বর্তমান কমিটির সভাপতি রেহান উদদীন পাশা,সাধারণ সম্পাদক এমদাদুর রহমান খান, অর্থ সম্পাদক কবির আহমদ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রুস্তমপুর পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আবদুল মালিক সাহেব।
এরকম একটি কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন, সংঘের বর্তমান প্রচার সম্পাদক হিফজুর রহমান।
ইসলাম ধর্মে পুরুষ মানুষের খতনা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফিতরাত (তথা নবীদের সুন্নত) পাঁচটি। তা হলো, খতনা করা, নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করা, বগলের উপড়ে ফেলা, নখ কাটা এবং গোঁফ খাটো করা। -(সহিহ বুখারি, হাদিস : ৫৮৮৯)।
সর্বপ্রথম সুন্নাতে খতনা পালন করেছেন হজরত ইবরাহিম (আ.)। হজরত সাইদ ইবনে মুসাইয়াব (রহ.) থেকে বর্ণিত, হজরত ইবরাহিম (আ.) হলেন খতনার সুন্নত পালনকারী সর্বপ্রথম ব্যক্তি। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ২৬৪৬৭)
খতনা করার মাধ্যমে শরীর অধিক পাকপবিত্র ও পরিচ্ছন্ন থাকে। খতনা করালে শিশুদের মূত্রপথের সংক্রমণ প্রতিরোধ হয়। এর ফলে প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, জ্বর, খাবারে অনীহা এবং স্বাস্থ্য ভালো না হওয়া ইত্যাদি রোগ থেকে ঝুঁকিমুক্ত থাকে।