সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : সিলেট

লাখো মুসল্লির পরম দোয়া ও মমতায় সিক্ত হযরত মাওলানা মোহাম্মদ খলিল আহমদ সাহেব।


সিলেট প্রতিনিধি :ছাইম ইবনে আব্বাস

eshomoy.com || 2024-11-27
লাখো  মুসল্লির পরম দোয়া  ও মমতায় সিক্ত হযরত মাওলানা  মোহাম্মদ খলিল আহমদ সাহেব।

উপমহাদেশের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা বশির আহমদ শায়খে বাঘা (রঃ) এর সুযোগ্য সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফিজ খলিল আহমদ সাহেব।


হযরত মাওলানা হাফিজ খলিল আহমদ আনুমানিক ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘায় জন্মগ্রহণ করেন।  মৃত্যুকালে ওনার বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর। গত ২৬ নভেম্বর রাত দশ ঘটিকার সময় তিনি  নিজ বাড়িতে মৃত্যু বরণ করেন।

সকলের কাছে তিনি খলিল হাবিচ্চাব নামে পরিচিত ছিলেন।


কৌড়িয়া মাদ্রাসায় তিনি হিফয ও জামাতে পড়া-শুনা করেছেন।
তিনি জামেয়া কাসিমুল উলুম দরগাহ ও নয়াসড়ক ও পাঠলী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন ও বিভিন্ন মসজিদে ইমামতি করেন।
এবং পরবর্তী জীবনে সাধারণ মানুষকে আধ্যাত্মিক ও রুহানি চিকিৎসা দিয়ে যান।
তিনি মৃত্যুর সময়  ২ ছেলে এবং ৬ মেয়ে সন্তানের পিতা ছিলেন।


আজ ২৭ নভেম্বর বাঘা হাতালি মাঠে উনার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন লাখো লাখো মুসল্লি। জানাজার নামাজ শেষে বাঘা বটরতল বাজার সংলগ্ন দরগাটিলা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

উনার নাতি খোবাইব বিন জামিল বলেন, আমি আমার দাদার স্নেহ মমতায় বড় হয়েছি।ছোটবেলায় থেকেই দেখছি উনি আলেমদের অনেক মহব্বত করতেন, শিশুদের মক্তবে পাঠানো ও তাদেরকে ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য মানুষদের উদ্বুদ্ধ করতেন। খোবাইব বলেন, দাদার সাথে তিনি বিভিন্ন জায়গায় সফরে গিয়েছেন, সেখানে গিয়ে এমন এমন বিশ্বময়কর জিনিস দেখেছেন যা বলে শেষ করা যাবে না। পরিশেষে তিনি সকলের কাছে দাদার জন্য দোয়া কামনা করেন।