সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে এইচএসসির ফলাফলে দুই কলেজে পাস করেনি কোনো শিক্ষার্থী।

>> সিলেটের এমসি কলেজে এইচএসসিতে পাসের হার ৯৮.০৫ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮৮ শিক্ষার্থী।

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

আপনি পড়ছেন : সিলেট

লাখো মুসল্লির পরম দোয়া ও মমতায় সিক্ত হযরত মাওলানা মোহাম্মদ খলিল আহমদ সাহেব।


সিলেট প্রতিনিধি :ছাইম ইবনে আব্বাস

eshomoy.com || 2024-11-27
লাখো  মুসল্লির পরম দোয়া  ও মমতায় সিক্ত হযরত মাওলানা  মোহাম্মদ খলিল আহমদ সাহেব।

উপমহাদেশের বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা বশির আহমদ শায়খে বাঘা (রঃ) এর সুযোগ্য সাহেবজাদা হযরত মাওলানা হাফিজ খলিল আহমদ সাহেব।


হযরত মাওলানা হাফিজ খলিল আহমদ আনুমানিক ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘায় জন্মগ্রহণ করেন।  মৃত্যুকালে ওনার বয়স হয়েছিল প্রায় ৯০ বছর। গত ২৬ নভেম্বর রাত দশ ঘটিকার সময় তিনি  নিজ বাড়িতে মৃত্যু বরণ করেন।

সকলের কাছে তিনি খলিল হাবিচ্চাব নামে পরিচিত ছিলেন।


কৌড়িয়া মাদ্রাসায় তিনি হিফয ও জামাতে পড়া-শুনা করেছেন।
তিনি জামেয়া কাসিমুল উলুম দরগাহ ও নয়াসড়ক ও পাঠলী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন ও বিভিন্ন মসজিদে ইমামতি করেন।
এবং পরবর্তী জীবনে সাধারণ মানুষকে আধ্যাত্মিক ও রুহানি চিকিৎসা দিয়ে যান।
তিনি মৃত্যুর সময়  ২ ছেলে এবং ৬ মেয়ে সন্তানের পিতা ছিলেন।


আজ ২৭ নভেম্বর বাঘা হাতালি মাঠে উনার জানাযার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন লাখো লাখো মুসল্লি। জানাজার নামাজ শেষে বাঘা বটরতল বাজার সংলগ্ন দরগাটিলা কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

উনার নাতি খোবাইব বিন জামিল বলেন, আমি আমার দাদার স্নেহ মমতায় বড় হয়েছি।ছোটবেলায় থেকেই দেখছি উনি আলেমদের অনেক মহব্বত করতেন, শিশুদের মক্তবে পাঠানো ও তাদেরকে ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার জন্য মানুষদের উদ্বুদ্ধ করতেন। খোবাইব বলেন, দাদার সাথে তিনি বিভিন্ন জায়গায় সফরে গিয়েছেন, সেখানে গিয়ে এমন এমন বিশ্বময়কর জিনিস দেখেছেন যা বলে শেষ করা যাবে না। পরিশেষে তিনি সকলের কাছে দাদার জন্য দোয়া কামনা করেন।