ঢাকার বাজারেই এখন ৫ কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। অথচ কৃষকেরা বিক্রি করে দিচ্ছেন ৮ থেকে ১০ টাকায়। অথচ আলু উৎপাদনে তাঁদের খরচ পড়েছে ১৪ থেকে ১৬ টাকা। হিমাগারগুলোয় জায়গা নেই। সুযোগ বুঝে মালিকেরা বেআইনিভাবে ভাড়াও বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেখানে কৃষকেরা আলু রাখার জায়গা পাননি। সে সুবিধা মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া।
কৃষি কেন তরুণদের কাছে আকর্ষণীয় নয়
কৃষকেরা জানা-অজানা নানা উপায়ে নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে আলু আরও কিছুদিন ধরে রাখতে চেষ্টা করছেন। ১৯ এপ্রিল ডেইলি স্টারের লিড ছবিতে রাজশাহীর এক কৃষককে আলু রক্ষার লড়াই করতে দেখা যাচ্ছে। গাছের ছায়ায় শুকনা খড়কুটো রেখে তার ওপর আলু বিছিয়ে তার ওপর আবার খড়কুটা দিয়ে আলু সংরক্ষণ করতে চাইছেন তিনি। কিন্তু এভাবে আলু রাখা যাচ্ছে না। পচে যাচ্ছে অনেকটাই।
গত কয়েক মাসে আমরা বাজার থেকে কম দামে আলু কিনতে পেরেছি। কিন্তু তাতে যে কৃষকের অশ্রু-দীর্ঘশ্বাস জড়িয়ে আছে, তা নিয়ে আমরা কি প্রশ্ন করেছি? পেঁয়াজ, আলু ও অন্যান্য সবজির পর এবার বোরো ধান উৎপাদনেও সফলতা পেয়েছেন কৃষকেরা। কিন্তু এ সফলতার পরেও তাঁদের কপালে দুশ্চিন্তার ভারী মেঘ ভর করতে শুরু করেছে। সরকার এবার কেজিতে চার টাকা বাড়ালেও ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা দেড় লখ টন কমিয়েছে।