>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের
>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।
>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা
>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির
>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন
>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন
>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল
>> হাতিয়া বুড়িরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক আল ফাহাদ
>> মাও. আহমেদ মাসরুর মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় দারুল আরকাম শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ
>> সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা
নীলফামারীর ডিমলায় একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুইজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে চাকরি করার অভিযোগে তদন্ত করছে জেলা শিক্ষা অফিস। অভিযুক্তরা হলেন-সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) সাবিত্রী রানী রায় ও সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) বিশ্বনাথ রায়। গত সোমবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি। কমিটির আহ্বায়ক হলেন ডিমলা উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার আমির বোরহান ও সদস্য জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার মো. বাচ্চু মিয়া ও সহকারী পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান। অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে নীলফামারী ডিমলা উপজেলার ডালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) ও সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ও জাল সনদ দিয়ে চাকরি করে আসছেন। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) বিশ্বনাথ রায় বলেন আমাকে সামাজিকভাবে সম্মানহানি করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে। আমি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে আমার তথ্য তুলে ধরেছি। অপর সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) সাবিত্রী রানী রায় বলেন, পারিবারিক সম্যস্যাকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে আমার আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করা হচ্ছে। ডালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শহিদা আকতার বলেন, অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তরা তদন্ত করেছেন। এ সময় অভিযুক্ত দুই শিক্ষক ও শিক্ষক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, নিয়োগকালীন আমি কোনো দায়িত্বে ছিলাম না। জেলা শিক্ষা অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের সঠিক তথ্য তুলে ধরতে তদন্ত করা হয়েছে। তাদের সরেজমিন তদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।