সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : নীলফামারী

নীলফামারী ডালিয়াতে জাল সনদে দুই শিক্ষক তদন্তে জেলা প্রশাসক।

নীলফামারী ডালিয়াতে জাল সনদে দুই শিক্ষক তদন্তে জেলা প্রশাসক।

নীলফামারী ডালিয়াতে জাল সনদে দুই শিক্ষক তদন্তে জেলা প্রশাসক।


মোঃ গোলাম রব্বানী( প্রতিনিধি )

eshomoy.com || 2024-03-12 08:00 PM
নীলফামারী ডালিয়াতে জাল সনদে দুই শিক্ষক তদন্তে জেলা প্রশাসক।

নীলফামারীর ডিমলায় একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুইজন এমপিওভুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও ভুয়া সনদের মাধ্যমে চাকরি করার অভিযোগে তদন্ত করছে জেলা শিক্ষা অফিস। অভিযুক্তরা হলেন-সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) সাবিত্রী রানী রায় ও সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) বিশ্বনাথ রায়। গত সোমবার সরেজমিন পরিদর্শন করেন তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি। কমিটির আহ্বায়ক হলেন ডিমলা উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার আমির বোরহান ও সদস্য জেলা শিক্ষা অফিসের সহকারী প্রোগ্রামার মো. বাচ্চু মিয়া ও সহকারী পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান। অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে নীলফামারী ডিমলা উপজেলার ডালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) ও সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া ও জাল সনদ দিয়ে চাকরি করে আসছেন। এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) বিশ্বনাথ রায় বলেন আমাকে সামাজিকভাবে সম্মানহানি করতে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করা হয়েছে। আমি তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে আমার তথ্য তুলে ধরেছি। অপর সহকারী শিক্ষক (পণ্ডিত) সাবিত্রী রানী রায় বলেন, পারিবারিক সম্যস্যাকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে আমার আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে হয়রানি করা হচ্ছে। ডালিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শহিদা আকতার বলেন, অভিযোগের তথ্য অনুযায়ী তদন্তকারী কর্মকর্তরা তদন্ত করেছেন। এ সময় অভিযুক্ত দুই শিক্ষক ও শিক্ষক-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, নিয়োগকালীন আমি কোনো দায়িত্বে ছিলাম না। জেলা শিক্ষা অফিসার মো. হাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে তাদের মাধ্যমে মাঠ পর্যায়ের সঠিক তথ্য তুলে ধরতে তদন্ত করা হয়েছে। তাদের সরেজমিন তদন্তের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।