সব সময় সব খানে


রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> কালাইয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্ভোধন

>> মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ, আখক্ষেতে মিলল রক্তাক্ত মরদেহ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

আপনি পড়ছেন : খেলা

"টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার আত্মবিশ্বাস সবসময় ছিল" – মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন


তাসপিয়া তাবাসসুম, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-02-09


বাংলাদেশের ক্রিকেটে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন এতদিন পরিচিত ছিলেন ধীরস্থির ব্যাটিংয়ের জন্য। স্বাভাবিকভাবে, টি-টোয়েন্টির জন্য তাঁকে তেমন কার্যকর মনে করা হতো না। তবে এবারের বিপিএলে সেই ধারণা বদলে দিয়েছেন তিনি। খুলনা টাইগার্সের হয়ে ১২ ম্যাচে ৩১৬ রান করেছেন ১৭৪.৫৮ স্ট্রাইকরেটে—যা ৩০০ রান করা ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ। তাঁর এই বদলে যাওয়ার গল্প ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারকে


মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন: আগের বিপিএলগুলোতে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। তবে ভেতরে ভেতরে সবসময় ভাবতাম—কীভাবে আমার শট নির্বাচন উন্নত করতে পারি, ছয়-সাত নম্বরে ব্যাট করে দলকে সাহায্য করতে পারি। এই মৌসুমের শুরুতে যখন ম্যানেজমেন্ট আমাকে ব্যাটিং পজিশন সম্পর্কে জানাল, তখনই বিষয়গুলো আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়। এরপর মাঠে সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি। যেটা করতে পেরেছি, সেটায় আমি সন্তুষ্ট।


অঙ্কন: আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম যে, আমি ভালো করতে পারব। আত্মবিশ্বাস কখনো হারাইনি। দলের কম্বিনেশনের কারণে হয়তো কম ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু সেই সময়টা কাজে লাগিয়ে নিজের দক্ষতা উন্নত করার চেষ্টা করেছি। খুব বেশি চিন্তাও করিনি। সবসময় মনে হয়েছে—যখনই সুযোগ পাব, তখনই ভালো করব।


অঙ্কন: বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টেস্ট খেলা আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের দেশে সাদা বলের ক্রিকেটের গুরুত্ব বেশি, কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোতে টেস্ট ক্রিকেটকেই চূড়ান্ত মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। আমি বিশ্বাস করি, তিন ফরম্যাটেই খেলার সামর্থ্য আছে আমার। যেহেতু টেস্ট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, তাই এই ফরম্যাটে খেলতে চাই। তবে সাদা বলের ফরম্যাটেও সুযোগ পেলে ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী।


অঙ্কন: আমি মনে করি, এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক। শুধু উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নয়, অন্যান্য পজিশনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা দরকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে সেরাদের মধ্যেই থাকতে হবে। এটাই ক্রিকেটারদের পারফর্ম করতে বাধ্য করে। আমি জানি, ভালো খেলতে পারলে আল্লাহ সহায় হবেন।


অঙ্কন: ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ওপেনিং বা টপ-অর্ডারে খেলেছি, বিপিএলে খেলেছি মিডল অর্ডারে। তাই যেখানে দল প্রয়োজন মনে করবে, সেখানেই খেলতে প্রস্তুত।

অঙ্কন: আমি সবসময় পারফরম্যান্সের দিকে মনোযোগ দিই, দলে সুযোগ পাওয়া নিয়ে অতটা ভাবি না। আমার লক্ষ্য—নিজেকে ফিট রাখা, প্রক্রিয়া ঠিক রাখা এবং যখনই সুযোগ আসবে, নিজের সেরাটা দেওয়া। আমি বিশ্বাস করি, একদিন তিন ফরম্যাটেই ভালো করতে পারব