মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন: আগের বিপিএলগুলোতে খুব বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাইনি। তবে ভেতরে ভেতরে সবসময় ভাবতাম—কীভাবে আমার শট নির্বাচন উন্নত করতে পারি, ছয়-সাত নম্বরে ব্যাট করে দলকে সাহায্য করতে পারি। এই মৌসুমের শুরুতে যখন ম্যানেজমেন্ট আমাকে ব্যাটিং পজিশন সম্পর্কে জানাল, তখনই বিষয়গুলো আমার কাছে স্পষ্ট হয়ে যায়। এরপর মাঠে সেই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছি। যেটা করতে পেরেছি, সেটায় আমি সন্তুষ্ট।
অঙ্কন: আমি সবসময় বিশ্বাস করতাম যে, আমি ভালো করতে পারব। আত্মবিশ্বাস কখনো হারাইনি। দলের কম্বিনেশনের কারণে হয়তো কম ম্যাচ খেলেছি, কিন্তু সেই সময়টা কাজে লাগিয়ে নিজের দক্ষতা উন্নত করার চেষ্টা করেছি। খুব বেশি চিন্তাও করিনি। সবসময় মনে হয়েছে—যখনই সুযোগ পাব, তখনই ভালো করব।
অঙ্কন: বাংলাদেশের হয়ে প্রথম টেস্ট খেলা আমার জন্য গর্বের বিষয়। আমাদের দেশে সাদা বলের ক্রিকেটের গুরুত্ব বেশি, কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোতে টেস্ট ক্রিকেটকেই চূড়ান্ত মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। আমি বিশ্বাস করি, তিন ফরম্যাটেই খেলার সামর্থ্য আছে আমার। যেহেতু টেস্ট দিয়ে যাত্রা শুরু করেছি, তাই এই ফরম্যাটে খেলতে চাই। তবে সাদা বলের ফরম্যাটেও সুযোগ পেলে ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী।
অঙ্কন: আমি মনে করি, এই প্রতিযোগিতা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য ইতিবাচক। শুধু উইকেটরক্ষক-ব্যাটার নয়, অন্যান্য পজিশনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা দরকার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টিকে থাকতে হলে সেরাদের মধ্যেই থাকতে হবে। এটাই ক্রিকেটারদের পারফর্ম করতে বাধ্য করে। আমি জানি, ভালো খেলতে পারলে আল্লাহ সহায় হবেন।
অঙ্কন: ব্যাটিং পজিশন নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন পজিশনে ব্যাটিং করেছি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ওপেনিং বা টপ-অর্ডারে খেলেছি, বিপিএলে খেলেছি মিডল অর্ডারে। তাই যেখানে দল প্রয়োজন মনে করবে, সেখানেই খেলতে প্রস্তুত।