মাত্র পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাঁচশ উইকেটের মাইলফলক ছুঁয়েছেন সাকিব আল হাসান। গতকাল (২৪ আগস্ট) ক্যারিবিয়ান ক্রিকেট লিগের (সিপিএল) দল সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিসের বিপক্ষে ৩ উইকেট শিকার করার পথে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন এক সময়ের এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। একই সঙ্গে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৭ হাজার রান ও ৫০০ উইকেটের ডাবলসেরও মালিক হয়েছেন এই ৩৮ বছর বয়সী।
ভিভ রিচার্ডস স্টেডিয়ামে মোহাম্মদ রিজওয়ানকে কট অ্যান্ড বোল্ড বানিয়ে পাঁচশ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন সাকিব। এরপর নেন আরও ২ উইকেট। অর্থাৎ ৪৫৭ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে তার উইকেটসংখ্যা এখন ৫০২টি। ১১ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট শিকারের পর ব্যাট হাতে ১৮ বলে ২৫ রান করা সাকিব হয়েছেন ম্যাচসেরা।
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য রেকর্ডের মালিক হওয়া সাকিব দেশের ক্রিকেটে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে কোনো ফরম্যাটে পাঁচশ উইকেটের মালিক হয়েছেন। এর আগে আরও দুজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার স্বীকৃত ক্রিকেটে কোনো এক ফরম্যাটে পাঁচশ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন। সাকিবের মতো তারা দুজনও বাঁহাতি স্পিনার।
ফার্স্টক্লাস ক্রিকেটে আব্দুর রাজ্জাক ও এনামুল হক জুনিয়রের আছে পাঁচ শতাধিক উইকেট। স্বীকৃত ক্রিকেটে এক ফরম্যাটে দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক আব্দুর রাজ্জাক। ১৩৭টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ খেলে ২৮.৯৮ গড়ে ৬৩৪ উইকেট শিকার করেছেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়ের নায়ক এনামুল হক জুনিয়রও ১৩৯টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলে ৩০.২৫ গড়ে শিকার করেছেন ৫১০ উইকেট। তারা দুজনই সব ধরণের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন। বর্তমানে খেলছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে পাঁচশ উইকেটের মাইলফলকের কাছাকাছি আছেন একজনই। তিনিও অবশ্য বাঁহাতি স্পিনার।
লাল বলের ক্রিকেটে বর্তমানে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণকে নেতৃত্ব দেয়া তাইজুল ইসলামও আছেন ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে পাঁচশ উইকেটের দ্বারপ্রান্তে। ১১২টি ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে এই ৩৩ বছর বয়সী শিকার করেছেন ৪৯১ উইকেট। চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে রেকর্ড বুকে নাম লেখাতে তার দরকার আর ৯ উইকেট।
এছাড়া ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে চারশ'র বেশি উইকেট শিকার করেছেন সাঞ্জামুল ইসলাম। ১১৩টি ম্যাচে ৪২৭ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। লিস্ট এ ক্রিকেটে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার আছে ৪৬৮ উইকেট।