ঢাবির মুহসীন হলে বিরতি দিয়ে চুরি হচ্ছে মোবাইল ও সাইকেল
ঢাবি প্রতিনিধি (সাকিব হাসান )
eshomoy.com || 2024-05-02
ঢাবির মুহসীন হলে কোনো ক্রমেই চুরির ঘটনা কমছে না।দিনের পর দিন বেড়েই চলছে।এক শ্রেণীর সংঘবদ্ধ চক্রের খপ্পরে পড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা হারাচ্ছেন মোবাইল, সাইকেল ও ল্যাপটপসহ প্রয়োজনীয় অনেক জিনিস। হলের গণরুম গুলো তে এর প্রকোপ যেন সবচেয়ে বেশি।
আজ বৃহস্পতিবার হলের টিনশেডের গণরুমের দুই শিক্ষার্থীর সাইকেল চুরি হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।।ভুক্তভুগি শিক্ষার্থীরা হলেন মুহসীন হলের ১০১৩ নং রুমের ইংরেজি বিভাগের শাকিল আহমেদ ও ১০২০ নং রুমের নৃবিজ্ঞান বিভাগের নাভিদ সালমান খান।
জানা যায় ভুক্তভুগী শাকিল গত ২৩ এপ্রিল তার সাইকেলটি তার রুমের সামনে রেখে বাড়ি যান। কিছুদিন পর হলে আসলে তার রুমের সামনে আর সাইকেল টি তিনি খুঁজে পান নি। কে নিয়ে গেছে? কিভাবে চুরি হলো এ বিষয়ে কোনো তথ্য তার পাশের রুমের কোনো বন্ধু বা হলের স্টাফ দিতে পারেনি। অন্যদিকে আরেক শিক্ষার্থী নাভিদ জানান তিনি গত ২৮ এপ্রিল আনুমানিক সাড়ে এগারোটার দিকে তার রুমের সামনে সাইকেল টি রেখে বাহিরে যান। ঘন্টাখানেক পর হলে এসে দেখেন তার সাইকেলটি নেই। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মুহসীন হলে চুরির ঘটনা এইবার ই প্রথম নয়। এর আগে হলের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মিয়াদ, দ্বিতীয় বর্ষের জসিম,,, সায়েদ আলী ও হুমায়ন নামের এই তিন শিক্ষার্থীর মোবাইল চুরি হয় ।বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও হল থেকে মোবাইল চুরির ঘটনাকে ছোট-খাটো অপরাধ হিসেবে দেখে তার কোন তদন্ত করে না থানা পুলিশ। ফলে চুরির সাথে জড়িতরা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে। শাহবাগ থানা সূত্রে জানা যায়, প্রতি মাসেই শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন চুরির ঘটনায় জিডি করতে আসেন। তবে আইডি কার্ড হারানো এবং ফোন চুরির ঘটনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক জিডি জমা পড়ে।
শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিয়ে জানতে চাইলে মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান ই সময়কে বলেন হলে অনেক শিক্ষার্থীর পুরাতন সাইকেল রয়েছে। কার কোনটা সাইকেল আমরা এভাবে তো জানিনা। তিনি শিক্ষার্থীদের সতর্ক হওয়ার আহব্বান জনান।
এসময় সাংবাদিকের এক প্রশ্নের উত্তরকালে তিনি আরো বলেন তিনি হলের গেটম্যান ও নিরাপত্তা কর্মীদের বেশি সতর্ক হওয়ার আহব্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী অভিযোগ জানালে সিসিটিভি ফুটেজ চেক করে চোর কে শনাক্ত করার চেষ্টা করবেন।