সব সময় সব খানে


মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬

১২ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
১২ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল

>> হাতিয়া বুড়িরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক আল ফাহাদ

>> মাও. আহমেদ মাসরুর মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হওয়ায় দারুল আরকাম শিক্ষক সমিতির শুভেচ্ছাবার্তা প্রকাশ

>> সিরাজগঞ্জে ট্যানারির বর্জ্য দিয়ে কাঁচামাল তৈরির কারখানা উচ্ছেদসহ জরিমানা

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

পুরোনো রূপে ফিরছে লালকুঠি


শেখ শাহরিয়ার হোসেন, জবি প্রতিনিধি

eshomoy.com || 2024-05-09
পুরোনো রূপে ফিরছে লালকুঠি

ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ‌্যকে ধারণ ক‌রে কা‌লের সাক্ষী হ‌য়ে দাঁড়িয়ে আছে নর্থব্রুক হল বা লালকুঠি। পুরান ঢাকার বু‌ড়িগঙ্গার তীর ঘেঁষে ওয়াইজ ঘা‌টে চুন-সুরকি ও লাল ইটের গাঁথ‌ুনি‌ জানান দিচ্ছে সে সময়ের ঢাকার আভিজাত্য। ঐতিহ্যের বাহক এই ভবন‌টি পরিচর্যা ও সংস্কারের অভাবে ধ্বং‌সের দ্বারপ্রা‌ন্তে চ‌লে‌ গি‌য়ে‌ছিল। লালকু‌ঠিকে আবার আগের রূ‌পে ফি‌রি‌য়ে আন‌তে উদ্যোগ নি‌য়ে‌ছে সরকার।

ব্রিটিশ স্থাপত্যশিল্পের এই অনন্য নিদর্শন লাল রঙের কারণে জনসাধারণের কাছে লালকুঠি নামে পরিচিত। এখানেই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সংবর্ধনা দেয় ঢাকা পৌরসভা। এমন বহু ঐতিহা‌সিক ঘটনার সাক্ষী এ ‌লালকুঠি। লালকুঠির সামনে দখলকৃত অবস্থায় থাকা নদীর অববাহিকা দখলমুক্ত করতে বিআইডব্লিউটিএ-কে নির্দেশ দেয় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। এনিয়ে একটি কমিটিও গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। 

সরেজমিনে দেখা যায়, পুরোদমে চলছে ভবন সংস্কার চল‌ছে। নতুন রঙের প্রলেপে যেন প্রান ফিরে পেয়েছে দেড়শো বছরের পুরোনো লালকুঠির সৌন্দর্য। ভবনের সম্মুখে তৈরী করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন কৃত্রিম ঝর্না। বিরাট কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টরা ভবনটির পুরোনো রূপ ফিরিয়ে দিতে কাজ করে চলেছেন।


পুরান ঢাকার বাসিন্দা জহির আহমেদ। স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, আমরা ছোটবেলায় পাল তোলা নৌকায় চড়ে দেখতাম আহসান মঞ্জিল, লালকুঠি ও রূপলাল হাউস’সহ নদীর দুই পাড়ের অপরূপ দৃশ্য। এখন আর তা দেখা যায় না। কারণ সেখানে লঞ্চ টার্মিনাল রয়েছে। পাশাপাশি রাস্তায় হকার সহ নানান স্থাপনা গড়ে উঠেছে। ত‌বে সরকার সংস্কারের যে উদ্যোগ নিচ্ছে তা খুবই ভালো উদ্যোগ। এটি বাস্তবায়িত হলে ঐতিহ্য রক্ষা হবে। এটা উন্মুক্ত করে দিলে পুরান ঢাকাবাসীর জন্যও অবসর কাটানোর একটা জায়গা তৈরি হবে।


বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা বলেন, ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নর্থব্রুক হল যেন বুড়িগঙ্গা থেকেই দেখা যায় সেজন্য হলের সামনের স্থাপনা সরিয়ে নিতে একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আমাদের কর্মকর্তারাও আছেন। উনারা একটা প্রতিবেদন জমা দিবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে নর্থব্রুক হল যেমন ঐতিহ্যের তেমনি সদরঘাটও কম ঐতিহ্যের নয়। এটা আরও পুরাতন এবং এর সাথে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের একটা বিষয় আছে৷ 


তিনি আরও বলেন, নর্থব্রুক হল যেন বুড়িগঙ্গা থেকেই দেখা যায় এটাই একটা পয়েন্ট ছিলো। আমি নদী থেকে একবার দেখার চেষ্টা করেছিলাম। শীতকালে পানি কম থাকায় দেখা না গেলেও বর্ষার সময় লঞ্চ থেকে দেখতে অসুবিধা হয়না। হলের সামনের জায়গাটা কীভাবে দৃষ্টিনন্দন করা যায় সেটা একটা প্রজেক্টের মাধ্যমে হচ্ছে। আমার মনে হয় খুব দ্রুতই একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারবো।