সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : জাতীয়

শক্তিশালী ভূমিকম্পে মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতু টিকার সম্ভাবনা কতটুকু ?


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-04-07
শক্তিশালী ভূমিকম্পে মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতু টিকার সম্ভাবনা কতটুকু ?
মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায় ৩৩তলা ভবন (বাঁয়ে)। এ অবস্থায় মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতুর টিকে থাকা নিয়ে প্রশ্ন।

ভূমিকম্পে ব্যাংককে ধসে পড়া নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের কনট্র্যাক্ট পেয়েছিল ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি ও চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ। তাদের বিরুদ্ধে উঠেছে মানহীন কাজ করার অভিযোগ, যা খতিয়ে দেখছে থাই কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত কোম্পানি দুটি বাংলাদেশের মেট্রোরেল ও পদ্মা সেতু তৈরিতে যুক্ত। তাই প্রশ্ন উঠছে, ভূমিকম্পে দেশের মেগা প্রকল্প টিকবে তো? সেই শঙ্কা না দেখলেও সতর্কতা হিসেবে মান যাচাইয়ের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

গেল ২৮ মার্চ ভূমিকম্পে মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায় ব্যাংককের ৩৩তলা একটি ভবন। থাই প্রাদেশিক নিরীক্ষা অফিসের জন্যে নির্মাণাধীন ভবনটির দায়িত্বভার ছিল চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিয়ারিং গ্রুপ এবং ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানির উপর। এরই মধ্যে অভিযোগ উঠেছে নির্মাণে ব্যবহৃত পণ্যের মান নিয়েও, যা তদন্ত করে দেখছে থাই কর্তৃপক্ষ।

অভিযুক্ত দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে বাংলাদেশের মেগা প্রকল্পেও। পদ্মা সেতু নির্মাণে যুক্ত ছিল চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিয়ারিং গ্রুপের প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। আর মেট্ররেলের সঙ্গে যুক্ত আরেক অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠান ইতালিয়ান থাই ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি। এর আগেও এমন অনেক প্রকল্পে বিদেশি নির্ভতার মাশুল গুনেছে বাংলাদেশ। সেই শঙ্কা মাথায় রেখে মেগা প্রকল্পগুলোতে অনিয়ম হয়েছে কি-না তা খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করছেন ভূমিকম্প বিশারদরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক তাহমীদ মালিক আল হুসাইনী  বলেন, 

কলাম যত সরু এবং উচ্চ হবে, তার তত স্থিতিশীলতার প্রশ্ন আসে। যমুনা সেতুরও ডিজাইনে ত্রুটি ছিল। অন্য মেগা প্রকল্পে যে ডিজাইন ত্রুটি নেই, সেটা কী করে জানবো!  

তবে ভূমিকম্পে দেশের বড় বড় অবকাঠামোর ক্ষতির খুব একটা শঙ্কা দেখছেন না বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে কাজ করা বুয়েটের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. খান মাহমুদ আমানত। তার মতে, বৈদেশিক দাতা সংস্থা এবং দেশীয় বিশেষজ্ঞদের তদারকি থাকায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন নেই।

বুয়েটের এই অধ্যাপকা বলেন,  একটি প্রকল্পের কাজ করার যোগ্যতা আছে কি-না, সেটা আগে সুনিশ্চিত করা হয়। তালিকা ছোট করার পর সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজটা দেয়া হয়। কাজেই ঠিকাদারদের যোগ্যতা নিয়ে বড় বড় প্রকল্পগুলোতে খুব একটা আপত্তির কিছু আছে বলে মনে হয় না। তবে বেসরকারি খাতে যেসব স্থাপনা হচ্ছে, বিশেষ করে সুউচ্চ ভবন যেগুলো হচ্ছে, সেগুলোর সবগুলোই যে ভূমিকম্প সহনশীল যথাযথভাবে ডিজাইন করা হয়েছে কি-না, সেটা দেখার অবকাশ আছে।