বরিশালে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মামলার সংবাদ প্রকাশ করায় বারবার হামলার শিকার হচ্ছেন সাংবাদিকরা। গতকাল ২ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বাকেরগঞ্জের এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে আদালত কারাগারে পাঠালে, সেই ছবি তুলতে গেলে রাস্তায় ফেলে বেদম পেটানো হয়েছে সাংবাদিকদের। হামলার ঘটনায় অন্তত ২০ গণমাধ্যমকর্মী আহত হন। তাদেরকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জাল দলিল করার মামলায় বরিশালের বাকেরগঞ্জের দাড়িয়াল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামসহ তার ৫ সহযোগীকে বুধবার কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। বুধবার দুপুরে আসামিদের আদালত থেকে বের করার সময় ছবি তুলতে গেলে চেয়ারম্যানের কর্মী বাহিনী ও একদল মুহুরী চিত্র সাংবাদিকদের ছবি তুলতে বাঁধা দেন। এক পর্যায়ে মারধর করা হয় তাদের। আত্মরক্ষায় ফটো সাংবাদিকরা দৌঁড়ে রাস্তায় গেলে, সেখানেও তাদের মারধর করে মুহুরিরা। ভাংচুর করা হয় ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেল।
হামলায় হাসপাতালে ভর্তি আহতরা হলেন- আমাদের বরিশাল পত্রিকার ফটো সাংবাদিক মো. নাঈম, আহসান আকিব, মতবাদের এন আমিন রাসেল, বাংলার বনের শাফিন আহমেদ রাতুল, জিয়াদ, জুয়েল, আজকের বরিশালের সাইফুল ইসলাম, সুজন হাওলাদার, আবু কালাম আজাদ (সোহাগ), সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়, বাংলাভিশন চ্যানেলের কামাল হোসেন, মোহনা টেলিভিশনের অপুর্ব বাড়ৈ, যমুনা টেলিভিশনের শুভ হাওলাদার, মাই টিভির শফিক হোসেন, লিটন মোল্লা, প্রথম সকাল পত্রিকার বার্তা সম্পাদক সুমাইয়া জিসান ও সুন্দরবন পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মিজান পলাশ।
বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ওসি আজিমুল করিম বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এ বেপারে মামলা করা হলে পুলিশ তাৎক্ষনিক পদক্ষেপ নিবে।