গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সিনাবহ উন্দারটেক এলাকায় গার্মেন্টসের এক নারী শ্রমিককে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করা হয়েছে।তার নাম আয়েশা বেগম। তিনি স্থানীয় সালেক টেক্সটাইলের শ্রমিক এবং ওই এলাকার ফজল মিয়ার স্ত্রী।এলাকাবাসী অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে,১২ মার্চ উপজেলার সিনাবহ উন্দেরটাক এলাকায় বন বিভাগের জমির সীমানা নিয়ে ঝগড়া বাঁধে।একপর্যায়ে পাশের বাড়ির নাসির উদ্দিন, আজিজ,সালেহা, জুনায়েদ,শিলাসহ কয়েকজন মিলে আয়েশা বেগম ঐ নামের ওই গার্মন্টেস শ্রমিককে আম গাছের সাথে বেঁধে মারপিট করে।একপর্যায়ে তার মেয়ে ফেরাতে গেল তাকেও মারপিট করা হয়।এ সময় তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। এলাকাবাসী আয়েশাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।ওই দিন বিকালে কালিয়াকৈর থানায় এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ দায়ের হয়।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকার ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বারদের দায়িত্ব দিয়ে যায়।
গত বুধবার বিকালে মাতব্বররা চিকিৎসার জন্য চার হাজার টাকা জরিমানা করেন।কিন্তু আয়েশা বেগম বিচার মেনে নেননি।
আয়েশা বেগম জানান,জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নাসির উদ্দিন,আজিজ,সালেহা,
জুনায়েদ,শিলাসহ কয়েকজন মিলে আম গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করেছে।এখন মামলা উঠানোর ভয় দেখাচ্ছে।
আয়েশার মেয়ে নুপুর জানান,৫ থেকে ৬ জন মিলে আমার মাকে গাছের সাথে বেঁধে আমার মাকে নির্যাতন করেছে ও আমাকে মারপিট করেছে।মৌচাক ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান মাতব্বর কে বারবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান,আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।
কালিয়াকৈর থানার (এসআই) শামসুজ্জোহা জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছে। নির্যাতিতার শরীরে বিভিন্ন আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব নিয়েছিল মীমাংসা করে দেওয়ার জন্য। আমি ছুটিতে বাড়ি এসেছি।