আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ রাখার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গতকাল শনিবার মক ভোটিংয়ের অভিজ্ঞতা থেকে এই পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আন্ত মন্ত্রণালয়ের সভা শেষে তিনি এ কথা জানান।
ইসি সচিব বলেন, একটি ভোটকক্ষে দুটি গোপন কক্ষ (স্ট্যাম্পিং বুথ) রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর মাধ্যমে ভোট দেওয়ার সময় কমবে এবং কেন্দ্রে ভিড় এড়ানো যাবে। সম্ভবত ভোটকেন্দ্র বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না। তবে প্রতিটি বুথে গোপন কক্ষের সংখ্যা বাড়ানো লাগতে পারে।
প্রবাসীদের নিবন্ধনের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রবাসী ভোটারদের জন্য বন্ধ থাকা নিবন্ধন প্রক্রিয়া পুনরায় চালু হয়েছে।
একই সঙ্গে তথ্য সংশোধনের জন্য এডিট মোড (ঠিকানা সংশোধনের ব্যবস্থা) যুক্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে অ্যাপ ডাউনলোড করেছেন ২ লাখ ১০ হাজারের বেশি প্রবাসী এবং নিবন্ধন হয়েছে প্রায় ১ লাখ। ১৮ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রবাসীদের নিবন্ধন করতে উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।
ইসি সচিব বলেন, ভোটের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আতিথ্য গ্রহণে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করা হবে।
এই
নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে তাদের ভাতা ও আর্থিক সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যালট পেপার প্রিন্টিংয়ের কাজ দেশে সরকারি প্রেসে এবং প্রবাসী ভোটের ব্যালট সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা প্রেসে সম্পন্ন হচ্ছে। ডাক বিভাগকে তেজগাঁও ও বিমানবন্দর সর্টিং সেন্টার পরিদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিবন্ধী ও বয়স্ক ভোটারদের সহযোগিতায় স্থানীয়ভাবে উপযোগী ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, গণভোট, আউট-অফ-কান্ট্রি ভোটিং, এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ এবং ভোটার শিক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করার কথা বলা হয়েছে।