সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কটি দুর্ঘটনাপ্রবণ হওয়ায় ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয় শেখ হাসিনা ট্রমা হাসপাতালের। জেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের মুলিবাড়ীতে মহাসড়কের পাশেই নির্মাণ করা হয়েছে এটি। কিন্তু নির্মাণের ২ বছর পার হলেও এখনো চালু হয়নি হাসপাতালটি।
এতে একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, দুর্ঘটনাকবলিতরা অন্যদিকে সরকারের প্রায় ১১ কোটি টাকায় নির্মিত হাসপাতালটি পড়ে রয়েছে অযত্ন আর অবহেলায়।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত চালু করা হোক হাসপাতালটি। আর হাসপাতালটি চালু করার জন্য দ্রুত উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম।
সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কটি অত্যন্ত দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা। যেখানে প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। ব্যস্ততম এই মহাসড়কে ছোট-বড় দুর্ঘটনায় হতাহত হয় অনেকেই। চালকদের বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো ও নিয়ম না মানার ফলেই মহাসড়কে প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটে।
সড়ক দুর্ঘটনার এসব বিষয় মাথায় রেখেই ২০১৮ সালে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ ইউনিয়নের মুলিবাড়ীতে মহাসড়কের পাশেই শেখ হাসিনা ট্রমা হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেই সরকার।
সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের দ্রুত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই নির্মাণ করা হয় এ হাসপাতালটি। নির্দিষ্ট সময় শেষে ২০২০ সালের নভেম্বরে নির্মাণকাজ শেষ হয়। কিন্তু নির্মাণের ২ বছর পার হলেও এখনো উদ্বোধন করা হয়নি এই ট্রমা সেন্টারটি। এতে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত রোগীদের আগের মতোই ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। অনেক সময় পথেই মারা যাচ্ছে অনেকে। হাসপাতালটি চালুর মাধ্যমে দুর্ঘটনাকবলিত রোগীদের দ্রুত স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করার দাবি স্থানীয়দের।
সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম বলেন, এই ট্রমা সেন্টারটি চালু হলে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীরা কম সময়ে দ্রুত সেবা পাবে, এতে অনেকেরই জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে বলে জানান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে দ্রুত এটি চালু করার দাবি জানান তিনি।