112 টি গাড়ি নিলামের জন্য তোলা হয় চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে। যার মধ্যে প্রায় 110 টি গাড়ির জন্য ক্রেতাদের মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। প্রায় সব গাড়ির বয়সই 15 থেকে 30 বছর । যদিও বেশ কয়েকবার এই গাড়িগুলো নিলামে তোলা হয়। কিন্তু বিক্রির না হওয়ায় এবার নিলামে তোলা হলো।
এবারের নিলাম অনলাইনের মাধ্যমে করা হয়েছে। তাছাড়াও দেশের পাঁচটি স্থানে এই নিলাম কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এবারে মোট 551 জন দরদাতার মধ্যে 110 জনের তালিকা প্রকাশ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ।
কে পি এল কনস্ট্রাকশন মিৎসুবিশি mercedes-benz ও বিএমডব্লিউ এ তিনটি মডেলের সর্বোচ্চ দাম প্রদান করে। এরমধ্যে মিৎসুবিশি একটি গাড়ির দাম হাঁকিয়েছেন 50010 টাকা যার আমদানি মূল্য ছিল 1 কোটি 39 লাখ টাকা। বিএমডব্লিউ গাড়ি দাম হাঁকিয়েছেন 150000 টাকা ও mercedes-benz এর দাম 3 লাখ টাকা ।
#ইসময় গাড়িগুলো এত কম দাম হাঁকানোর কারণ জানতে চাইলে বলা হয় গাড়িগুলো প্রায় এক যুগ ধরে বন্দরে পড়ে থাকায় গাড়ির অনেক ক্ষতি হয়েছে এবং অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অনেক গাড়ির চাবি পর্যন্ত নেই। তাই এর ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়নি .
অন্যদিকে সর্বোচ্চ দাম পাওয়া গেছে বিএমডব্লিউ এর একটি 2007 মডেলের তিন হাজার সিসির গাড়ি। দাম 53 লাখ টাকা। যদিও গাড়িটির রিজার্ভ মূল্য দুই কোটি 53 লাখ টাকা ।
এবারের নিলামে ভক্সওয়াগন, ভলবো, মিৎসুবিশি, পাজেরও সহ আরো বেশ কিছু ব্র্যান্ডের নামিদামি গাড়ি ছিল । তবে নিলাম কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সব ব্র্যান্ডের গাড়ি গুলো পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ।
কাস্টমস কর্তৃপক্ষের বিবৃতি মতে নিলাম সম্পন্ন হলেও গাড়ির হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বা আদৌ হস্তান্তর হবে কিনা সেই সিদ্ধান্ত কমিটির উপরেই বর্তায়। নিলাম কমিটি এ ব্যাপারে সব পরিবর্তন ও পরিমার্জন এর অধিকার রাখে ।
তবে বিশিষ্টজনেরা বলেছেন বছর বছর নিলামে উঠলেও যেহেতু ভালো দাম পাওয়া যায়নি। সে ক্ষেত্রে আর সময় নষ্ট না করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে বেশি বয়সী গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়াই সময় উপযোগী ।