স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা দামের তিনটি আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন উধাও হয়ে গিয়েছে .২০১৩-১৪ সালে কেনা শতাধিক মেশিন আসার পর একটি চক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে ২০২৩-২৪ সাল পর্যন্ত । মাত্র তিন বছর ব্যবহার করার পর প্রথমে মিশনগুলোকে দীর্ঘসময় ধরে ফেলে রাখা হয় পরে সেগুলো গোডাউনে পাঠানো হয় পরে গোডাউন থেকে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয় । হাসপাতালের একটি চিহ্নিত চক্র মেশিনগুলো বিপুল অঙ্কের টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে বলে জানা যায়।
হাসপাতালে রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং ডিপার্টমেন্ট এর জন্য ২০১৩ সালের স্থানীয় ওয়ার্সী সার্জিক্যাল নামক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মাধ্যমে ৪১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় একটি জি হেলথ কেয়ার কোম্পানির আল্ট্রাসাউন্ড মেশিন ক্রয় করা হয় যার মডেল নাম্বার লজিক ৫ । এরপর ২০১৪ সালে একই কোম্পানির আরেকটি মেশিন ৪২ লাখ টাকায় কেনা হয়, এটি হাসপাতালে ৪৭ লিপিবদ্ধ করা হয় হয়েছে । একই বছরের ৩ জিটুজি পদ্ধতিতে চায়নার কাছ থেকে অনুমোদন হিসেবে জন কেয়ার কিউ ৩ উহান চায়না , এটিও হাসপাতালে স্টক লেজার ৬৭ নম্বর পৃষ্ঠায় লিপিবদ্ধ রয়েছে এই মেশিনটির দাম প্রায় ৪৫ লাখ টাকা বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন । সাধারণত প্রতিটি মেশিনের লাইফ টাইম ধরা হয় দশ বছর কিন্তু মেশিনগুলো তিন বছর ব্যবহার করে পরিকল্পিতভাবে মেশিনগুলো কারণ ছাড়াই ফেলে রাখা হয় শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালের ১২ ই ফেব্রুয়ারি মেশিন গুলো পাঠিয়ে দেওয়া হয় মেশিনগুলো প্রধান সহকারী আব্দুর রহিম ভূঁইয়া রিসিভ করেন এরপর মেশিনগুলো রাতের আধারে উধাও হয়ে যায় ।
নিয়ম অনুযায়ী কোন মেশিন পরিত্যক্ত ঘোষণা হলে ন্যাশনাল ইলেক্ট্রো ও মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট ওয়ার্কশপের (নিমিউ) বিইআর অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে মেশিনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সারিয়ে তোলতে হয় , এছাড়া উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করার বিধান রয়েছে তিনটি ক্ষেত্রে কোন কিছুই মানা হয়নি ।
২০১৩ এবং২০১৪ সালে ইকুইপমেন্টগুল কেনা হয়েছে এরপর ২০১৭ সালে অকেজো হওয়ার ঘোষণা করার জন্য চিঠি লেখা হয়েছে । নিমিউ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেনি, এরপর গত কয়েকদিন থেকে মেশিন গুলো পাওয়া যাচ্ছে না ।একথা শুনি হাসপাতালের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে কমিটির প্রতিবেদন পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।