সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : স্বাস্থ্য

ইলিশ মাছ খেলে কোন কোন রোগের ঝুঁকি কমে?


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-08-18
ইলিশ মাছ খেলে কোন কোন রোগের ঝুঁকি কমে?
শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর জাতীয় মাছ ইলিশ।

বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ। এ মাছ শুধু খেতেই সুস্বাদু নয়, পুষ্টিগুণেও ভরপুর। পুষ্টিবিদরা বলছেন, নানা রোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে এ মাছ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ইলিশ সামুদ্রিক মাছ হওয়ায় এতে রয়েছে নানা ওষুধি গুণ।

 আসুন এক নজরে জেনে নিই পুষ্টি গুণে ভরপুর ইলিশ মাছ খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-

 ১। হৃদরোগ প্রতিরোধ: ইলিশ মাছে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

 ২। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এ মাছ রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারে এ মাছ।

 ৩। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কের কোষ গঠনে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক।

 ৪। চোখের স্বাস্থ্য: ইলিশ মাছে থাকা ভিটামিন এ এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের জন্য খুবই উপকারী। এটি চোখের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করতে এবং চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৫। ত্বকের স্বাস্থ্য: ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যকর রাখতে সাহায্য করে।

৬। হাড়ের গঠন: ইলিশ মাছে থাকা ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড়কে মজবুত করে এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৭। ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ: কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইলিশ মাছ ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী হতে পারে।

৮। হাঁপানি প্রতিরোধ: গবেষণায় দেখা গেছে, সামুদ্রিক মাছ ফুসফুসের স্বাস্থ্য রক্ষায় অত্যন্ত উপকারী। যারা নিয়মিত ইলিশ মাছ খান তাদের ফুসফুস বেশি শক্তিশালী হয়। এমনকী শিশুদের হাপানি সারিয়ে তুলতে পারে ইলিশ মাছ।

 ৯। ত্বকের স্বাস্থ্য রক্ষা: ইলিশে রয়েছে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন। ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে এর জুড়ি মেলা ভার। এছাড়া ইলিশে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বকের বলিরেখা ও ফাইন লাইন কমাতেও সহায়ক। নিয়মিত ইলিশ মাছ খেলে ত্বক হয় মসৃণ ও উজ্জ্বল।

১০। অন্যান্য পুষ্টি উপাদান: ইলিশ মাছে আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যেমন- ভিটামিন বি১২, প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক ইত্যাদি, যা শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।

সতর্কতা

ইলিশ মাছ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হলেও কারো কারো ক্ষেত্রে এটি অ্যালার্জি বা গ্যাসের সমস্যা তৈরি করতে পারে। যাদের এই ধরনের সমস্যা আছে, তাদের ইলিশ মাছ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।