দেশে প্রতি ১০ জনের ১ জন নারী জীবদ্দশায় স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে প্রথম পর্যায়ে এটি শনাক্ত করতে পারলে সুস্থতার হার শতভাগ।
সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ‘স্তন ক্যান্সার সচেতনতা’ মাস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় এসব তথ্য তুলে ধরেন চিকিৎসকরা।
মূল লক্ষ্য: নারীদের প্রাথমিক স্তরে স্তন ক্যান্সার শনাক্তকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধি। সচেতনতা বৃদ্ধি করে সমাজে এই রোগ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করা। তরুণ প্রজন্ম ও কর্মজীবীদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতার প্রসার ঘটানো।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম। প্রাণঘাতী এই ক্যান্সার থেকে বাঁচতে গ্রাম পর্যায়ে এনজিও কর্মী দিয়ে নারীদের সচেতনতা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানোর তাগিদ দেন তিনি
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি বছর ১৫ হাজার এরও বেশি নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, যার মধ্যে প্রায় ৭ হাজার ৫০০ জনের মৃত্যু ঘটে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবে এই রোগের চিকিৎসা দেরি হয়।
চিকিৎসকরা এ ব্যাপারে ২০ বছর বয়স থেকে প্রতি মাসে একবার নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা করার পরামর্শ দেন। ৪০ বছর বয়সের পর বছরে একবার ম্যামোগ্রাম করতে বলেন।