সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

তরুণদের মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে, চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ভেঙতে চেয়েছিলেন হাদি


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-20
তরুণদের মেধা ও শ্রমকে কাজে লাগিয়ে, চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ভেঙতে চেয়েছিলেন হাদি
ফাইল ছবি।

বাংলাদেশের তরুণদের মেধা ও শ্রমকে যথাযথভাবে ব্যবহারের মধ্যদিয়ে চাঁদাবাজি বন্ধের স্প্ন দেখেছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সাবেক মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি।

মৃত্যুর কিছুদিন আগে সময় টেলিভিশনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে কী করতে চান, কী নিয়ে স্বপ্ন দেখন সে সব নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছিলেন তিনি।

 

ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন ওসমান হাদি।

 

তিনি বলেছিলেন, একটা কথা বলে রাখি ঢাকা আটের কোনো প্রান্তে চাঁদাবাজি হবে না এটা আমি বলে রাখছি। সিন্ডিকেটটা তো অনেক বড়, সব আমি বন্ধ করতে পারবো কিনা জানি না। তবে কিছু কাজ করবো।

 

চাঁদাবাজি প্রতিরোধে প্রথম কাজের কথা বলতে গিয়ে আপসহীন হাদি বলেছিলেন, নাম্বার ওয়ান ঢাকা আটের একটা সবজিওয়ালা-ভ্যানওয়ালার কাছ থেকে যদি কেউ চাঁদা তোলে, আমি ওসমান হাদি সেটা শুনলে আমার টিম নিয়ে সেখানে গিয়ে দাঁড়াবো। তার কাছ থেকে চাঁদা তুললে আমার গায়ে হাত দিয়ে তারপর চাাঁদা তুলতে হবে। আর যদি অনেক রাঘব বোয়াল হয়, যিনি নিজে যান না, তার লোক পাঠান, তাহলে তার নামটা তো জানবো।

 

দ্বিতীয়ত চাঁদাবাজদের সিন্ডিকেটের তথ্য পাবলিক করে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, ‘যেই রাঘব বোয়ালরা তাদের ছানাপোনা পাঠিয়ে চাঁদাবাজি করাবেন, ঢাকা আটের মধ্যে, আমি সংসদে দাঁড়াইয়া বিসমিল্লাহ বইলা প্রত্যেকের নাম প্রকাশ করে দেবো। এরপরে যা আছে কপালে আমার হবে এইটা আমি করবই।

 

তিন নম্বরে তিনি ঢাকা-৮ কেন্দ্রিক বিভিন্ন হাসপাতাল ঘিরে গড়ে ওঠা চিকিৎসা সিন্ডিকেটও ভেঙে ফেলতে চেয়েছিলেন।

 

হাদি বলেছিলেন, পুরো বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার হাব হলো শাহবাগ। শুধু ঢাকা আটের না, পিজি, বারডেম, ঢাকা মেডিকেলে এমনভাবে সিন্ডিকেট করে রাখা হয়েছে, চিকিৎসাতো চিকিৎসা আপনি মরে গেলেও আপনার লাশটা নিয়ে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট করা হবে। আপনার কাছে চাওয়া হবে ২০ হাজার টাকা ওই টাকার কমে যদি কেউ ১৫ হাজারে যেতে চায়, আপনার মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয় না।

 

নিজের পরিকল্পনা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, আপনি চিন্তা করেন কেমন দেশে আমরা আছি। আমি ইনকলাব মঞ্চের ভাই এবং ঢাকা আটের তরুণ বন্ধুদের নিয়ে ভলান্টিয়ারি টিম করব। চিকিৎসা সেবা নিতে আসা মানুষকে ভলান্টিয়ার সার্ভিস দেবেন তারা। এর ফলে কোনো সিন্ডিকেট ব্যবসা এই হসপিটাল জোনে চলবে না। অনেক অসুস্থ মানুষ আসেন কোন ডিপার্টমেন্টে যাবেন তার বোঝেন না। তারে সাপোর্ট করবার মতো কেউ পুরো কান্ট্রিতে নাই। আমরা বুথ স্থাপন করব এবং তাকে একদম ওই হাসপাতালের নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়ে যাওয়াসহ চিকিৎসা প্রতিটি ধাপে আমাদের ভলান্টিয়াররা সহায়তা করবে।

 

স্বপ্নবাজ তরুণ হাদি বলেছিলেন, আপনাদের অনেক বড় বড় স্বপ্নের কথা শোনাতে পারি