সব সময় সব খানে


বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬

২২ আশ্বিন ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বুধবার, অক্টোবর ৭, ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> পঞ্চগড়ে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান ভূঁইয়া মুক্তা গ্রেফতার।

>> ভাঙ্গায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা

>> কোনো দুই নম্বরি কাজ আমার আমলে কোথাও করা যাবে না - ত্রাণমন্ত্রী দুলু

>> সরকারি জায়গায় বালু ফেলে দখল চেষ্টার অভিযোগ বিএনপি নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে

>> জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্য সরকারের: ত্রাণমন্ত্রী দুলু

>> মানুষের সঙ্গে কাজের সম্পৃক্ততাই আমাকে ক্লান্ত হতে দেয় না: ত্রাণমন্ত্রী

>> আলোকিত লালমনিরহাটের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার আহ্বান ত্রাণমন্ত্রী দুলুর

>> বকশীগঞ্জে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবসে র‍্যালি ও আলোচনা সভা

>> বকশীগঞ্জে ২ হাজার ৭২৬ কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড, বিতরণ কৃষি উপকরণ সহায়তা

>> মামলা-হামলা উপেক্ষা করে রাজপথে সক্রিয়, জেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া বরাত

আপনি পড়ছেন : রাজনীতি

বেসিসে নির্বাচন অনিশ্চয়তার মধ্যেই ‘রাজনৈতিক ট্যাগিং’ বিতর্ক, সম্পাদিত ছবিতে জড়ালেন পরিচালক প্রার্থী জুয়েল

ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি, তফসিল বাতিল ও সহায়ক কমিটি স্থগিতের ধারাবাহিকতায় নতুন বিতর্ক; ফরেনসিক পরীক্ষায় রাজনৈতিক গ্রাফিক পরবর্তীতে যুক্ত হওয়ার তথ্য


eshomoy.com || 2026-10-04
বেসিসে নির্বাচন অনিশ্চয়তার মধ্যেই ‘রাজনৈতিক ট্যাগিং’ বিতর্ক, সম্পাদিত ছবিতে জড়ালেন পরিচালক প্রার্থী জুয়েল

দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস—বেসিসের নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা কাটছে না। ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধ, নির্বাচনী তফসিল বাতিল, নতুন সহায়ক কমিটি গঠন এবং কয়েক দিনের ব্যবধানে সেই কমিটির কার্যক্রম স্থগিত—একের পর এক ঘটনায় সংগঠনটির নির্বাচন যখন আবারও অনিশ্চয়তার মুখে, তখন সামনে এসেছে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে ঘিরে ‘রাজনৈতিক ট্যাগিং’ ও পরিবর্তিত ছবি প্রচারের বিতর্ক।

বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের (NICTF) সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জি. মোহাম্মদ জুয়েল। বেসিসের সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়া এবং সহায়ক কমিটির সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। জুয়েলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, সাংবাদিক ইলিয়াস, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকর্মী রূপম রাজ্জাকসহ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট থেকে তাঁকে নিয়ে এ ধরনের প্রচারণা হয়েছে।

বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে একটি বিতর্কিত ছবির ডিজিটাল ফরেনসিক পরীক্ষার পর। পরীক্ষায় দেখা গেছে, জুয়েলের মূল portrait-এর ওপর রাজনৈতিক বক্তব্য ও অন্য একটি portrait-সহ graphic পরবর্তীতে যুক্ত করা হয়েছে। তবে কে ছবিটি পরিবর্তন করেছেন কিংবা কী উদ্দেশ্যে করেছেন, ফরেনসিক রিপোর্টে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।


সহায়ক কমিটি থেকেই নতুন বিরোধের শুরু

সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের কেন্দ্রে রয়েছে বেসিসের নির্বাচন এবং সদস্য-ভোটার তালিকা। বেসিসের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া অনেক দূর এগিয়েছিল। মনোনয়ন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

ভোটার তালিকা নিয়ে আপত্তি এবং বৈধ সদস্য অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে ৩ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচনী তফসিল বাতিল করে ভোটার তালিকা পুনঃযাচাই ও হালনাগাদের নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে প্রশাসককে সহযোগিতার জন্য সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশনা আসে।

এর ধারাবাহিকতায় ২২ সেপ্টেম্বর সাত সদস্যের একটি সহায়ক কমিটি গঠন করা হয়। এতে ইঞ্জি. মোহাম্মদ জুয়েলসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতের কয়েকজনকে রাখা হয়।

কিন্তু কমিটি ঘোষণার পরপরই সদস্য নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিভিন্ন পক্ষ থেকে কমিটির গ্রহণযোগ্যতা ও সদস্যদের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়।

শেষ পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনের মাথায়, ২৮ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার আদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর বেসিসের স্মারকের মাধ্যমে গঠিত সহায়ক কমিটির কার্যক্রম নির্দেশক্রমে স্থগিত করা হলো। তবে স্থগিতাদেশে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা অভিযোগকে এর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। 


সেই সময়েই সামনে আসে ‘আওয়ামী লীগ’ ট্যাগ

সহায়ক কমিটি নিয়ে বিতর্ক চলার মধ্যেই জুয়েলের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ।

এর মধ্যে একটি ছবিতে জুয়েলের পুরোনো একটি portrait-এর নিচের অংশে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার cut-out portrait এবং “WE ALL ARE SHEIKH HASINA’S MEN” লেখা রাজনৈতিক graphic দেখা যায়।

ছবিটি এমনভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় সেটি জুয়েলের পুরোনো Facebook পোস্টের অংশ কি না—সে প্রশ্ন তৈরি হয়।

জুয়েল ওই ছবিকে পরিবর্তিত বলে দাবি করেন। পরে clean/reference image এবং প্রচারিত questioned image নিয়ে একটি Digital Image Forensic Comparison করা হয়।


কী বলছে ফরেনসিক পরীক্ষা?

২৭ সেপ্টেম্বরের ফরেনসিক রিপোর্টে দুই ছবির মূল portrait একই source photograph-এর সঙ্গে উচ্চমাত্রায় সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

কিন্তু questioned image-এ একজন নারীর cut-out portrait, সবুজ-লাল graphic এবং “WE ALL ARE SHEIKH HASINA’S MEN” লেখা পাওয়া যায়, যা reference/clean image-এ নেই।  

আরও বিস্তারিত পরীক্ষায় questioned image-এর ওই অংশকে একটি পৃথক graphic layer হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি মূল portrait-এর ওপর superimpose করা হয়েছে। 

 দুই ছবির feature matching-এও উল্লেখযোগ্য মিল পাওয়া যায়। ORB ও RANSAC পদ্ধতির পরীক্ষায় ৫৬৮টি inlier এবং প্রায় ৮৯ শতাংশ inlier ratio পাওয়া গেছে। ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এটি দুই ছবির মূল portrait/background একই underlying source image থেকে আসার বিষয়টিকে শক্তিশালীভাবে সমর্থন করে। 

 Questioned JPEG-এর metadata-তে “Canva (Renderer)”-এর উপস্থিতিও শনাক্ত করা হয়েছে। ফরেনসিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরীক্ষিত questioned JPEG-টিকে ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১-এর untouched/original Facebook image হিসেবে প্রযুক্তিগতভাবে সমর্থন করা যায় না।  

তবে রিপোর্টটি এটিও স্পষ্ট করেছে—এই প্রযুক্তিগত পরীক্ষা থেকে কে ছবিটি সম্পাদনা করেছেন, কে প্রথম প্রচার করেছেন কিংবা সম্পাদনার উদ্দেশ্য কী ছিল, তা নির্ধারণ করা যায়নি। Facebook-এর server-side original-ও পরীক্ষার আওতায় ছিল না। 


আগেই আইনি প্রতিকার চেয়েছিলেন জুয়েল

ছবি পরিবর্তন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারের অভিযোগ নিয়ে জুয়েলের আইনগত পদক্ষেপের নথিও পাওয়া গেছে।

উত্তরা পশ্চিম থানায় করা একটি সাধারণ ডায়েরির কপিতে দেখা যায়, নিজের ছবি পরিবর্তন করে Facebook-এ প্রচার এবং তাঁকে নিয়ে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি।

এ থেকে অন্তত বোঝা যায়, পরিবর্তিত ছবি নিয়ে আপত্তি শুধু বর্তমান সহায়ক কমিটি বিতর্কের পর তৈরি হয়নি; এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হওয়ার একটি নথিও রয়েছে।


রাজনৈতিক প্রোফাইলে ভিন্ন চিত্র

জুয়েলের সরবরাহ করা রাজনৈতিক জীবনবৃত্তান্তে তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী ধারার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, তিনি ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, জিয়া ব্রিগেড, জাতীয়তাবাদী সাইবার দল এবং পরবর্তীতে জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তাঁকে NICTF-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দেখানো হয়েছে। 

NICTF-এর ২০২৬ সালের আনুষ্ঠানিক কমিটির তালিকাতেও ইঞ্জি. মো. জুয়েলকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রাখা হয়েছে। একই নথিতে অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং মো. রওশান কামাল জেমসকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 


বেসিসেও আগে দায়িত্বে ছিলেন

বেসিসের সঙ্গে জুয়েলের সম্পৃক্ততাও সাম্প্রতিক নয়। Previous Associate Committee-এর নথিতে দেখা যায়, ২৭ অক্টোবর ২০২৫ গঠিত ১০ সদস্যের Associate Committee-তে Md Jewel সদস্য ছিলেন। তাঁর CV-তে আরও দাবি করা হয়েছে, তিনি ২০২৪–২০২৫ সময়ে BASIS Local Market Standing Committee-এর চেয়ারম্যান ছিলেন। অন্যদিকে ডিসেম্বর ২০২৪-এর Associate Committee-এর চেয়ারম্যান ছিলেন রাফেল কবির। সেই কমিটিতে Rowshan Kamal James, A H M Rokmunur Zaman Rony-সহ আরও কয়েকজন বর্তমান আলোচিত ব্যক্তিও ছিলেন।  ফলে বেসিসে সহায়ক বা Associate Committee নিয়ে বিতর্কটি নতুন নয়; গত কয়েক বছরে একাধিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।


নির্বাচন কেন বারবার থমকে যাচ্ছে?

বর্তমান ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিতর্কের আড়ালে বেসিসের জন্য বড় সংকটটি আসলে নির্বাচন। নির্বাচনের প্রস্তুতি একাধিকবার অনেক দূর এগোলেও ভোটার তালিকার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে বিরোধ কাটেনি। সদস্যদের তথ্য যাচাই, বাদ পড়া সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি এবং কে বৈধ ভোটার—এসব প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত নির্বাচন আয়োজনের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।এরপর সমস্যা সমাধানের জন্য সহায়ক কমিটি গঠন করা হলেও সেই কমিটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই নতুন বিরোধ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ কমিটিও ছয় দিনের মাথায় স্থগিত হওয়ায় আবারও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে পরবর্তী নির্বাচনী রোডম্যাপ। অর্থাৎ বেসিস এখন এমন এক অবস্থায় রয়েছে, যেখানে নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রয়োজন, তালিকা ঠিক করতে সহায়ক কাঠামো প্রয়োজন, আবার সেই কাঠামোর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই তৈরি হচ্ছে নতুন বিরোধ।


নির্বাচন ও রাজনৈতিক প্রচারণার যোগসূত্র কতটা?

ঘটনার সময়কাল একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন তৈরি করে—বেসিসের নির্বাচন ও সহায়ক কমিটি নিয়ে বিরোধের মধ্যেই কেন একজন নির্বাচনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে এমন প্রচারণা সামনে এলো?

জুয়েলের পক্ষ থেকে এটিকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে যাঁদের পোস্ট নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বক্তব্য ও ছবির উৎস সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য ছাড়া তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

একইভাবে forensic report বিতর্কিত ছবির একটি অংশ পরবর্তীতে যুক্ত হওয়ার প্রযুক্তিগত তথ্য দিলেও সেটি BASIS নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্যই তৈরি করা হয়েছিল—এমন কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি।

সুতরাং নির্বাচন ও ছবির প্রচারের মধ্যে সরাসরি কার্যকারণ সম্পর্ক এখনো প্রমাণিত নয়। তবে একই সময়পর্বে ঘটনাগুলো ঘটায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, যার উত্তর পেতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং Facebook-এর মূল পোস্ট ও source history যাচাই প্রয়োজন।


আড়ালে পড়ে যাচ্ছে মূল প্রশ্ন

রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে বেসিসের প্রায় দুই হাজার সদস্যের সামনে মূল প্রশ্নটি ক্রমেই আড়ালে পড়ে যাচ্ছে—তাঁরা কবে ভোট দিতে পারবেন?

একাধিক নির্বাচনী উদ্যোগ ব্যাহত হয়েছে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরও নির্বাচন হয়নি। ভোটার তালিকা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আবার সেই কাজের জন্য গঠিত সহায়ক কমিটিও স্থগিত হয়েছে।

এ অবস্থায় বেসিসের সংকটের সমাধান ব্যক্তি বা রাজনৈতিক পরিচয়কেন্দ্রিক বিতর্কে নয়; বরং একটি যাচাইযোগ্য ভোটার তালিকা, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজনের মধ্যেই খুঁজতে হবে।

কারণ শেষ পর্যন্ত বেসিসের নেতৃত্ব কার হাতে যাবে—সেটি নির্ধারণের সাংগঠনিক পথ হলো বৈধ সদস্যদের ভোট। আর সেই ভোটের পরিবেশ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সহায়ক কমিটি, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্কের মধ্যেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি বাণিজ্য সংগঠনটির নির্বাচন ঘুরপাক খেতে থাকবে।