সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

ধর্ষণের পর হত্যা, মরদেহ রাখা হয়েছিল সেপটিক ট্যাংকে, যুবক গ্রেপ্তার


মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, ময়মনসিংহ

eshomoy.com || 2025-07-07
ধর্ষণের পর হত্যা, মরদেহ রাখা হয়েছিল সেপটিক ট্যাংকে, যুবক গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত যুবক রোহান মিয়াকে গ্রেফতার করে পিবিআই

  • ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলা এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক রোহান মিয়াকে (২৫) গ্রেফতার করেছে ময়মনসিংহের পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

  • গতকাল রোববার (৬ জুলাই) ভোরে ফুলপুর উপজেলার বেপারীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি তারাকান্দা উপজেলার দাদরা গ্রামের আলাল মিয়ার ছেলে। আর নিহতের নাম সুফিয়া খাতুন (৩৪)।পিবিআই বলছে, প্রেমের অভিনয় করে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেন রোহান। মোবাইলে কথা বলার একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বিশ্বস্ততা তৈরি হয়। এরপর ঘুরতে নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে টাকা আর মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখা হয়।

পিবিআই জানায়, রোহান তার এক বন্ধুর কাছ থেকে সুফিয়ার মোবাইল নম্বরটি সংগ্রহ করেন। এরপর প্রেমের অভিনয় করে সুফিয়াকে ফাঁদে ফেলেন। ২৯ জুন সুফিয়া তারাকান্দা বাজারে ছাগল বিক্রি করতে গেলে রোহান তার সঙ্গে দেখা করতে যান। এসময় সুফিয়াকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরি করেন তিনি। রাত ৯টার দিকে রোহান তার এলাকায় একটি পরিত্যক্ত বাড়ি নিয়ে সেখানে সুফিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান।

একপর্যায়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ঝগড়া হয়। এসময় সুফিয়া উত্তেজিত হয়ে রোহানকে চড় মারলে রোহান ক্ষিপ্ত হয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে সুফিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। হত্যাকাণ্ড গোপন করতে মরদেহটি পাশের সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে ফেলে দেন। এরপর সুফিয়ার সঙ্গে থাকা ৪ হাজার টাকা ও মোবাইল নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান রোহান।

এদিকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সুফিয়াকে খুঁজে না পেয়ে তার ছোট ভাই ইলিয়াস থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ৩ জুলাই সকাল ১০টার দিকে দাদরা গ্রামে পরিত্যক্ত বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে দুর্গন্ধ বের হলে ট্যাংকের ঢাকনা খুলে নারীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে গলিত মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এর পরিচয় শনাক্ত করে পিবিআই। এতে স্পষ্ট হয় এটিই নিখোঁজ সুফিয়ার মরদেহ।

এস বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মো. রকিবুল আক্তার জানান ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পিবিআই সদস্যরা ছায়া তদন্ত শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোহানকে গ্রেফতার করা হয়। তার হেফাজত থেকে সুফিয়ার মোবাইলটি উদ্ধার করা হয়েছে। বিকেলে রোহানকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।