সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রেখে শুনানি মুলতবির আদেশ প্রত্যাহার করেছেন আপিল বিভাগ।
সোমবার (১০ নভেম্বর) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর
আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর হাইকোর্টের দেয়া জামিন বহাল রাখেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ওই সময় একই মামলায় সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন এক সপ্তাহের জন্য স্ট্যান্ডওভার (মুলতবি) রাখেন আদালত।
সকালে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক শুনানি করেন। লতিফ সিদ্দিকীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না এবং আইনজীবী এম আবদুল্লাহ আল হারুন ভূঁইয়া ও জাকির হোসেন মাসুদ। মঞ্জুরুল আলমের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন ও রমজান আলী শিকদার এবং আইনজীবী প্রিয়া আহসান চৌধুরী।
জানা যায় সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার হাইকোর্টের জামিন আদেশের লিখিত কপি হাতে পাওয়ার তার জামিন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেয়ার কথা ছিল আপিল বিভাগের।
ওইসময় আপিল বিভাগ বলেন, হাইকোর্টের জামিনের তো লিখিত আদেশ প্রকাশ হয়নি। কিসের ভিত্তিতে জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করলো রাষ্ট্রপক্ষ।
জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, হাইকোর্টে জামিন পেয়ে অনেকে সঙ্গে সঙ্গে কারামুক্ত হয়, সে কারণেই সাথে সাথে তাই আসতে হয় রাষ্ট্রকে। এসময় লতিফ সিদ্দিকীর জামিন স্থগিতের আবেদন প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। তবে পান্নার বিষয়ে ১ সপ্তাহ পর শুনানি হবে।
পরে কাদের সিদ্দিকী বলেন, বিচার বিভাগের উপর তাদের আস্থা সব সময় ছিলো এখনও আছে।
গত
৬ নভেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নাকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পরে তা স্থগিত চেয়ে চেম্বার আদালতে যায় রাষ্ট্র।
গত
২৯ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কার্জনসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারিক আদালত।
এর
আগে এ মামলায় ঢাকার মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের পর মহানগর দায়রা জজ আদালতেও লতিফ সিদ্দিকীর জামিন নাকচ হয়। এরপর তিনি হাইকোর্টে আসেন। শাহবাগ থানায় হওয়া এ মামলায় ২৯ আগস্ট আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন-শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন, মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম পান্না, কাজী এ টি এম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু, মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খান, মো. আমির হোসেন সুমন, মো.