পাবনা জেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য মিম খাতুন ওরফে আফসানা মিম ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। আদালত ওবায়দুল্লাহকে জামিনে মুক্তি দেন।
শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) শুনানি শেষে আদালত ঢাকা সিটি ম্যাজিস্ট্রেট শান্তা আক্তারকে আপস শর্তে জামিন দেন।
হেফাজতে নেওয়ার পর তাদের আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখার দাবি জানান তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক। রমেন মিয়া। আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে বলা হয়েছে।
এ সময় তার আইনজীবী আদালতকে জানান, মামলার বাদীর সঙ্গে তিনি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। জামিনে কোনো আপত্তি আছে কি না, বাদী মনিরুজ জামানের কাছে জানতে চান বিচারক। কোনো আপত্তি না থাকলে বিচারক বাদীকে মন্তব্য করতে বলেন। পরে সমঝোতার শর্তে তিন হাজার টাকার মুচলেকায় তাকে জামিন দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে আদালত এর আগে জামিন নামঞ্জুর করে একদিনের আটকের আদেশ দেন।
জানা যায়, মীম অভিযোগকারী মনিরুজ্জামানের সঙ্গে ওবায়দুল্লাহ নামের এক ব্যক্তিকে তার শ্যালক পরিচয় দেন। পরে মীম ও ওবায়দুল্লাহ ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ১৭ হাজার টাকা পান। বিরোধ শুরু হয় যখন তিনি বিশ্বাস করেন যে লেনদেনটি একটি নথি ছাড়াই হয়েছে, কিন্তু পরে একটি নথি তৈরি করতে চেয়েছিলেন। টাকা ফেরত না দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন হুমকি দেন।
এ ঘটনায় আটগারিয়া জেলার ব্যবসায়ী ও যুবলীগ নেতা মণি রোজমান বাবু রাজধানীর গোলশান থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এ ঘটনার পর পাবনা জেলার একটি শহর থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।