সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : আইন-আদালত

স্বামীকে তালাক দিয়ে একই কাজী অফিসে প্রেমিককে বিয়ে করলেন।


নিজস্ব প্রতিবেদন

eshomoy.com || 2024-09-01
স্বামীকে তালাক দিয়ে একই কাজী অফিসে প্রেমিককে বিয়ে করলেন।

সালমা খাতুন (ছদ্মনাম) নামে এক গৃহবধূ শনিবার (৩১ আগস্ট) রাজশাহীর তানোরের মুন্ডমালা কাজী অফিসে স্বামীকে তালাক দিয়ে একই জায়গায় প্রেমিক শাহিন আলমের সঙ্গে নতুন করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তালাক ও বিয়ের সময় তার স্বামীও উপস্থিত ছিলেন।


মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহাজুল ইসলাম শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


সালমার সদ্য তালাকপ্রাপ্ত স্বামী মাসুদ রানা, রাজশাহী মহানগরীর কাশিয়াদাঙ্গা এলাকার মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে। তার প্রেমিক, শাহিন আলম, তানোর উপজেলার বাধাইড় ইউনিয়নের গাল্লা বৈদ্যপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।


পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৯ আগস্ট) সকালে সালমা খাতুন প্রেমিক শাহিন আলমের বাড়িতে গিয়ে তাকে বিয়ের দাবি জানান। কিন্তু শাহিনের পরিবারের সদস্যরা সালমাকে মারধর করে এবং তাকে মধ্যযুগীয় কায়দায় খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করেন। মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শাহাজুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, যেখানে তিনি চিকিৎসা নেন।


ঘটনার দিন সালমা মুন্ডুমালা পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে, তিনি গত ১১ বছর ধরে শাহিনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং বিভিন্ন সময়ে তাকে ৩ লাখ টাকা ও ২৫ হাজার টাকা মূল্যের স্মার্টফোন উপহার দিয়েছেন।


শাহিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। শনিবার সন্ধ্যায় সালমার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মা জানান যে, সালমা বাড়িতে নেই এবং সকালে বের হয়ে এখনও ফেরেনি।


এসআই শাহাজুল ইসলাম বলেন, সালমার শাহিন আলমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, এবং নির্যাতনের পর তাকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছিল। তাকে সুস্থ হয়ে অভিযোগ করতে বলা হয়েছিল, এবং পরে সালমার ভাই ফোনে বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


শনিবার দুপুরে সালমা খাতুন মুন্ডমালা কাজী অফিসে প্রথমে স্বামীকে তালাক দিয়ে, পরে শাহিন আলমকে ৫ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন।