মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ইহুদি-বিদ্বেষ পর্যবেক্ষণ ও মোকাবিলার জন্য’ ইয়েহুদা কাপলুনকে তার বিশেষ দূত হিসেবে মনোনীত করেছেন। সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইয়েহুদা একজন সফল ব্যবসায়ী এবং ইহুদি ধর্ম ও এর জনগণের নিপীড়ন থেকে মুক্তভাবে বেঁচে থাকার এবং উপাসনা করার অধিকারের একজন দৃঢ় সমর্থক।’ খবর আল জাজিরা’র।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইহুদি-বিদ্বেষ বিপজ্জনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই ইয়েহুদা বিশ্বজুড়ে আমেরিকান ও ইহুদিদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিনিধি হবেন এবং শান্তি প্রচার করবেন। সবশেষে ইয়েহুদাকে অভিনন্দন জানান ট্রাম্প। এদিকে, ইরানের সঙ্গে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার আগেই ‘সামরিক শক্তি’ প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইসরাইল সামনে থেকে এর নেতৃত্ব দেবে বলেও জানান তিনি।
আগামী ১২ এপ্রিল ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হবে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ আলোচনার আগমুহূর্তেই ইরানের ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় সময় বুধবার (৯ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প জানান, ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্র বেশি কিছু চায় না, তবে তারা পারমাণবিক বোমা রাখতে পারবে না। আর তেহরান এতে অসম্মতি জানালে সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার হুমকি দেন ট্রাম্প। ইসরাইল এ সামরিক শক্তিকে নেতৃত্ব দেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘যদি সামরিক শক্তি প্রয়োজন হয়, তাহলে আমরা তা অবশ্যই ব্যবহার করব। আর অবশ্যই ইসরাইল এতে নেতৃত্ব দেবে। যদিও আমাদের কেউ নেতৃত্ব দেয় না, তবে আমাদের যা ভালো মনে হয় আমরা তাই করি।’