এছাড়া ঈদকে সামনে রেখে পেঁয়াজ কেজিতে ১০, আদা ২০ টাকাসহ প্রায় সব ধরনের মসলার দাম বাড়তি। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ বেড়েছে মসলার দাম। তবে মুরগির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
[৪] তবে মাছ, গরুর ও খাসির মাংস আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বাজার খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম-আয়ের মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। শুক্রবার রাজধানীর বাজার ঘুওে এমন চিত্র দেখা গেছে।
Advertisement: 1:34
Close PlayerUnibots.com
[৫] বাজার ঘুরে দেখা যায়, শসার কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, টমেটো ৯০ থেকে ১০০ টাকা, গাজর ৮০ থেকে ৯০ টাকা, চায়না গাজর ১২০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ থেকে ২০০ টাকা, বরবটি ৯০-১০০ টাকা, কাঁকরোল ৯০-১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০-৭০ টাকা, ধুন্দুল ৬০-৭০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, প্রতিপিস লাউ ৬০ থেকে ১০০ টাকা ও উস্তে ৬০ থেকে ৭০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাজারে ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই।
[৬] দেশি পেঁয়াজ ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো ৮০ টাকা। আলু কেজিতে ৫ টাকা বেড়েে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা, চায়না রসুন ২৩০ থেকে ২৪০ টাকা, চায়না আদা ২৬০ থেকে ২৭০ টাকা, ভারতীয় ২৮০ দরে বিক্রি হচ্ছে।
[৭] বাজারে সব ধরনের মসলার দাম বাড়তি। আরও ১০ থেকে ১৫ দিন আগে থেকে মসলার বাজাওে উর্ধ্বমুখী।
[৮] তবে প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পর মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। ব্রয়লারের কেজি ২০ থেকে ২১০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিলো ২২৫ থেকে ২৩০ টাকা। সোনালির কেজি ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা। যা গত দুই সপ্তাহ আগেও ছিলো ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি।
[৯] গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১৫০ টাকা কেজি দরে।
[১০] এদিকে ডিমের ডজন ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা। এক হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা। প্রতিপিস বিক্রি হচ্ছে ১৪ টাকা।
[১১] প্রায় সব ধরনের মাছেরে দাম বাড়তি। প্রতি কেজি তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকা, রুই মাছ ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকা, কাতল মাছ ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি মাছ ৮৫০ থেকে ১৪০০ টাকা, কাচকি মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, কই মাছ ২৬০ থেকে ০০ টাকা, পাবদা মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ও টেংরা কেজি ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
[১২] খিলক্ষেত বাজারে বাজার করতে আসা বশির উদ্দিন বলেন, শসার কেজি ১০০ টাকা। যা এক সপ্তাহ আগেও ছিলো ৫০ থেকে ৬০ টাকা। দাম শুনে শসা না কিনে চলে আসলাম। গত কয়েকদিনের তুলনায় আজকে সবজির দাম অনেক বাড়ত