সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর,জেলেদের ঝাঁক দেখা যাচ্ছে পদ্মার পাড়ে


তাসপিয়া তাবাসসুম, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2024-11-05
টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর,জেলেদের ঝাঁক দেখা যাচ্ছে পদ্মার পাড়ে

নিষেধাজ্ঞা শেষে পদ্মায় নেমেছেন জেলেরা, ধরা পড়ছে বেশি মা ইলিশ ও জাটকা

টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার জেলেরা পুরোদমে পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকারে নেমেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, পদ্মা নদীতে এখন ডিমভর্তি মা ইলিশ ও জাটকা ধরা পড়ছে, যদিও গত বছরের তুলনায় এবার ইলিশের সংখ্যা কিছুটা কম দেখা যাচ্ছে।

সরকার ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত রাজবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন নদ-নদীতে ইলিশ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন, যাতে ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন থাকে। নিষেধাজ্ঞা শেষে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে দৌলতদিয়া মাছবাজারে ইলিশের বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, নিষেধাজ্ঞা উঠানোর পর প্রতিদিন গড়ে ১০০ থেকে ২০০ মণ ইলিশ বিক্রি হচ্ছে, যার মূল্য প্রতি মণ প্রায় ৯ থেকে ১০ লাখ টাকার মধ্যে। যদিও বেশিরভাগ ইলিশের পেটে ডিম রয়েছে এবং জাটকা ধরা পড়ছে, ইলিশের চাহিদা বজায় রয়েছে।

সেলিম প্রামাণিক, রাজাপুরের একজন ব্যবসায়ী, বলেন, "বাড়িতে আত্মীয় এসেছেন এবং তাঁরা পদ্মার ইলিশ খেতে চেয়েছেন। গতকাল খবর পেলাম ঘাটে অনেক ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে, তাই নিজেদের এবং মেহমানদের জন্য ইলিশ কিনছি। তবে বেশিরভাগ ইলিশের পেটে ডিম আছে।"

ফরিদপুরের রফিকুল ইসলাম বলেন, "চাকরির কারণে মাগুরায় থাকতে হয়। দুই দিনের ছুটিতে বাড়ি এসেছি এবং স্ত্রীর পরামর্শে দুজনেই সকাল থেকেই মোটরসাইকেল নিয়ে পদ্মার ইলিশ শিকার করতে বের হয়েছি। ছোট জাটকা ও মাঝারি আকারের ইলিশ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা কেজি দরে কিনেছি।"

সালাম খাঁ, একজন জেলে বলেন, "নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে নামেননি, তবে এখন কোনো ঝামেলা ছাড়াই মাছ ধরা যাচ্ছে। গত দুই দিনে প্রায় দুই মণের মতো ইলিশ পেয়েছি। গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম পাওয়া যাচ্ছে।"

ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, "১৩ অক্টোবর নিষেধাজ্ঞা না দিয়ে এক সপ্তাহ বা ১০ দিন আগে থেকে দিলে ভালো হতো। নিষেধাজ্ঞার আগে জেলেরা অনেক ইলিশ শিকার করতেন এবং তখনও ইলিশের পেটে ডিম ছিল। এখন বেশিরভাগ জাটকা ধরা পড়ছে। আজ সকালে ৩০ মণের মতো ইলিশ বিক্রি করেছি।"

দৌলতদিয়া মাছবাজার আড়তদার সমিতির সভাপতি মোহন মণ্ডল জানান, "আজ সকালেই আমি ৯ লাখ টাকার মতো মাছ বিক্রি করেছি। হয়তো আর দু-তিন দিন এমন অবস্থা থাকতে পারে।"

ভারপ্রাপ্ত জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোস্তফা আল রাজীব বলেন, "বর্তমানে প্রায় ৫০ শতাংশ ইলিশ ডিম ছেড়েছে। এখন ডিমওয়ালা ইলিশ ও জাটকা ধরা পড়ছে। কয়েকদিন পর এ বিষয়ে অভিযান শুরু করা হবে।"

নিষেধাজ্ঞা শেষে পদ্মায় ফিরে আসা জেলেরা এবং ব্যবসায়ীদের আশা, আসন্ন পর্যটন মৌসুমে এই ক্ষতি কিছুটা হলেও কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং ইলিশের সংরক্ষণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া যাবে।