সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

মানুষের হাহাকার, রাতে ঘরে পানি আর সকালে পেটে ক্ষুধা।


মীর আবিদ হোসেন (স্টাফ রিপোর্টার)

eshomoy.com || 2025-08-05
মানুষের হাহাকার, রাতে ঘরে পানি আর সকালে পেটে ক্ষুধা।

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দ্বিতীয় দফায় লালমনিরহাটে বন্যা দেখা দিয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যা থেকে সারারাত তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এর ফলে জেলার চারটি উপজেলায় প্রায় আট হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সোমবার বিকেল ৩টার দিকে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও ডালিয়া ব্যারাজে ৪৪টি জলকপাট খোলা রাখা হয়েছে।


মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ৩০টি গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে সদর উপজেলায় দেড় হাজার, আদিতমারীতে চার হাজার, কালীগঞ্জে এক হাজার এবং হাতীবান্ধায় এক হাজার আটশত মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।


জানা যায়, দ্বিতীয় দফার এ বন্যায় ৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সরকারি পক্ষ থেকে পানিবন্দি মানুষের জন্য কোনো শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়নি। ফলে অনেকেই অনাহারে কিংবা অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছেন। তবে লালমনিরহাট জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যাপ্ত খাবার মজুদ রয়েছে।


রাতভর পানি ঢুকে পড়ায় স্থানীয়রা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। বিশুদ্ধ পানি, শিশুদের খাবার, স্যানিটেশন সুবিধা এবং পশুখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। কিছু যাতায়াত সড়ক ধসে পড়েছে এবং কৃষি জমি ও মাছচাষে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।


সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের দিঘলটারী এলাকার বাসিন্দা সাবিত্রি রানী (৫০) বলেন, রাত থেকে ঘরে পানি ঢুকে পড়েছে, রান্নাঘরও পানিতে ডুবে গেছে। সারাদিন রান্না করতে পারিনি। সরকারিভাবে কেউ আমাদের খোঁজ নেয়নি।


একই এলাকার সন্ধ্যা রানী (৫২) বলেন, আমি মাঠে কাজ করে খাই। এখন বন্যা এসেছে, কীভাবে খাব তা জানি না। বাজার থেকে আনা সামান্য শুকনো খাবার ছাড়া কিছুই নেই।


কালমাটি এলাকার সামসুল হক (৪৫) বলেন, আমাদের কষ্টের সীমা নেই। রান্নার কোনো ব্যবস্থা নেই। ছোট ছোট বাচ্চা নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। সরকার আমাদের দিকে তাকায় না।