ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে বিশ্বরোড মোড় পর্যন্ত সড়কের দৈর্ঘ্য ১২ কিলোমিটার। যেকোনো যানবাহনে এলে এ পথটি পাড়ি দিতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট লাগে। তবে গত কয়েকমাস ধরে সড়কটির বেহাল দশার কারণে পথটি পাড়ি দিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাগে। যানজটের কারণে ভোগান্তি চরমে।
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অংশ পরিদর্শনে এসে এমন যানজটে আটকা পড়েন খোদ সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। পরে বাধ্য হয়ে তিনি মোটরসাইকেলে চড়েন।
বেলা পৌনে ১১টায় তিনি আশুগঞ্জ থেকে রওয়ানা দেন। বেলা ১টায় এ রিপোর্ট লেখার সময় তিনি বিশ্বরোড মোড়ে আসেন।
আট-১০টি মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে তিনি বিশ্বরোড নামেন। তবে তার গাড়ি বহর তখনো ছিল আশুগঞ্জ এলাকাতেই। তিনি বাহাদুরপুর থেকে মোটরসাইকেলে উঠেন।
বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি মহানগর প্রভাতী ট্রেনে করে কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে নামেন।
পরে সড়ক পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আসার পথে আশুগঞ্জের হোটেল উজানভাটিতে যাত্রাবিরতি করেন। সেখান থেকে যাত্রা শুরু করলে আশুগঞ্জের বাহাদুরপুর থেকে তিনি দীর্ঘ যানযটে আটকা পড়েন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আশুগঞ্জ নৌবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত প্রায় ৫১ কিলোমিটার সড়ক চার লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। তবে প্রকল্পের কাজ চলছে ধীরগতিতে। এ অবস্থায় ধরে সংস্কার না করায় আশুগঞ্জ গোলচত্বর থেকে সরাইল-বিশ্বরোড মোড় পর্যন্ত প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে ছোট বড় অসংখ্য গর্ত তৈরি হয়েছে।
এতে করে তীব্র যানজটে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। ধীরগতির কারণে মহাসড়কের এ অংশ পাড়ি দিতে যানবাহনগুলোর সময় লাগে ৪-৬ ঘণ্টা।
এ
অবস্থায় এই প্রকল্পের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অংশ পরিদর্শনে আসছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। তাই গত রবিবার থেকে সড়কের খানাখন্দের ভরাট শুরু করা হয়। এক পাশ বন্ধ রেখে সংস্কার কাজ চালানোর ফলে গেল তিন দিন ধরে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে আছে মহাসড়কে। বুধবার সকাল থেকে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম জানান, উপদেষ্টা মহোদয় আশুগঞ্জ থেকে সরাইলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। পথিমধ্যে আশুগঞ্জের মৈত্রী স্তম্ভ এলাকায় যানজটের আটকা পড়েছেন।