সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

নতুন চাকরিতে যোগ দানের ৩ দিনের মাথায় নিহত স্কুলছাত্রী মুনা


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-20
নতুন চাকরিতে যোগ দানের ৩ দিনের মাথায় নিহত স্কুলছাত্রী মুনা
ফাইল ছবি।

পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছেড়ে ঢাকায় গিয়ে মিরপুরের রূপনগরে শিয়ালবাড়ী পোশাক কারখানায় চাকরি নেয় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মুনা আক্তার (১৫)। কিন্তু কাজে যোগ দেয়ার তিন দিনের মাথায় কারখানায় লাগা আগুনে পুড়ে প্রাণ গেলো তার। ব্যক্তি জীবনে যেমন শান্ত প্রকৃতির তেমনি পড়াশোনায়ও ছিল ভালো।

সোমবার (২০ অক্টোবর) ভোরে মুনার মরদেহ গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার মদন উপজেলার কদমশ্রী গ্রামে আনা হয়। পরে তার গ্রামে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

জানা গেছে, মুনা আক্তার ওই গ্রামের সনু মিয়া ও মিনা আক্তার দম্পতির একমাত্র মেয়ে। চার সন্তানের মধ্যে মুনা সবার ছোট ছিল। 

পরিবার সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে সে ঢাকায় চলে যায়। সেখানে পরিচিত এক তরুণের মাধ্যমে শিয়ালবাড়ী পোশাক কারখানায় চাকরি নেয়। কিন্তু কারখানায় থাকা কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা আগুনে তাকে পুড়ে মরতে হয়।

তার খালাতো ভাই আবদুল বারী আকন্দ হীরা বলেন, মুনা খুবই শান্ত প্রকৃতির মেয়ে ছিল। তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ নিয়েছিলাম। কিন্তু পরে জানতে পেরেছি, মিরপুরে লাগা আগুনে অন্যান্যদের সঙ্গে সেও পুড়ে মারা গেছে। গতকাল রোববার রাতে ডিএনএ পরীক্ষায় পরিচয় নিশ্চিত হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে মরদেহ আনা হয়।

এদিকে, মিরপুরের ঘটনায় মারা যাওয়াদের মধ্যে গতকাল রাতে ১৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে মুনা আক্তারসহ চারজনের বাড়ি নেত্রকোনায়।

অন্য তিনজন হলেন- বারহাট্টা উপজেলার নুরুল্লাহরচর গ্রামের সবুজ মিয়ার ছেলে জয় মিয়া (২১), মোহনগঞ্জ উপজেলার জয়পুর গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে তোফায়েল আহমেদ (১৮) ও একই উপজেলার সাউথখালী গ্রামের নয়ন মিয়ার মেয়ে আসমা আক্তার (১৪)। এ ছাড়া নিহত জয় মিয়ার স্ত্রী মারজিয়া সুলতানার (১৮) মরদেহ এখনও পাওয়া যায়নি বলে জানায় পরিবারের লোকজন। 

মারজিয়ার বাবা সুলতান মিয়া জানান, ‘আমার একটাই মেয়ে। চার মাস আগে মেয়ে বিয়ে দিছিলাম। বিয়ার পর সুখেই আছিলো। ডাহা (ঢাকা) যাইতে তারারে না করছিলাম। এই ডাহা শহরে কয়েক দিন পরে পরে দুর্ঘটনায় মানুষ মরে। কিন্তু মেয়ে আমারে বুঝাইয়া কইছে চিন্তা না করতে। তারা নিরাপদে থাকবে। কারখানার কাছেই বাসা ভাড়া নিছিলো। অহন আমার সব শেষ হইয়া গেছে। জামাইয়ের লাশ পাইলেও মেয়েরটা অহনও পাইতাছি না।

এ বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক (ডিসি) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, মিরপুর কারখানায় মারা যাওয়াদের মধ্যে নেত্রকোনার চারজনের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। নিহতদের পরিবারকে নিয়মনুযায়ী প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।