সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

পরিবারের সঙ্গে পাসপোর্ট নিয়ে ইতালি গেলো আদরের পোষা বিড়াল ‘ক্যান্ডি’


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-06
 পরিবারের সঙ্গে পাসপোর্ট নিয়ে ইতালি গেলো আদরের পোষা বিড়াল ‘ক্যান্ডি’
সংগৃহীত ছবি

মুন্সীগঞ্জ থেকে পরিবারের সঙ্গে পাসপোর্ট নিয়ে ইতালি গেছে আদরের পোষা বিড়াল ‘ক্যান্ডি’। চার বছর ধরে পরিবারের সদস্যের মতো লালন করা এই বিড়ালটিকে সঙ্গে নিতে নানা জটিল প্রক্রিয়া পেরিয়ে প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় করতে হয়েছে পরিবারটির।

গত বুধবার (৫ নভেম্বর) রাত সোয়া ৩টায় কাতার এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে রোমের উদ্দেশে রওনা হয় ক্যান্ডি। বিশেষ খাঁচা, বিমানের টিকিট, সরকারি অনুমতি, পোষা প্রাণীর পাসপোর্ট, এমনকি ট্রানজিট বিমানবন্দরের ক্লিয়ারেন্স—সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেই পরিবারের সঙ্গে বিদেশ যাত্রা শুরু করে সে।

মুন্সীগঞ্জ শহরের মানিকপুর এলাকার রিক্তা বেগম ২০২১ সালে ১৫ হাজার টাকায় অনলাইনে কিনেছিলেন বিড়ালছানা ক্যান্ডিকে। এরপর থেকেই ক্যান্ডি হয়ে ওঠে পরিবারের অবিচ্ছেদ্য সদস্য। রিক্তার ছেলে স্বপ্নীল হাসান শিথিল এইচএসসি পাস করেছেন, আর স্বামী আব্দুল হাই কর্মসূত্রে ইতালির রোমে অবস্থান করছেন। পুরো পরিবার সেখানে স্থায়ীভাবে যাওয়ায় প্রিয় ক্যান্ডিকে ফেলে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

রিক্তা বেগম বলেন, ক্যান্ডি এখন আমাদের পরিবারেরই একজন। বাইরে গেলে ও খাওয়া বন্ধ করে দেয়। তাই ওকে ছাড়া আসা আমাদের পক্ষে অসম্ভব।

ছেলে স্বপ্নীল হাসান শিথিল বলেন, ক্যান্ডি আমাদের আনন্দের উৎস। ও ছাড়া ঘরটা ফাঁকা মনে হয়, তাই ওকে সঙ্গেই এনেছি।

স্বামী আব্দুল হাইও পরিবারের আবেগের কথা ভেবে ক্যান্ডিকে সঙ্গে আনার অনুমতি দেন।

বিড়ালটিকে বিমানে বহনের জন্য আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিশেষ খাঁচায় প্রস্তুত করা হয়। বিমানের টিকিট বাবদ খরচ হয়েছে ৩৫০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৪০ হাজার টাকা)। পাশাপাশি পোষা প্রাণীর পাসপোর্ট, সরকারি নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি) ও ট্রানজিট ক্লিয়ারেন্সসহ সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে মোট খরচ দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা।

সব ঝক্কি-ঝামেলা ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে প্রিয় ক্যান্ডিকে নিয়ে ইতালির মাটিতে পা রেখেছে মুন্সীগঞ্জের এই পরিবার। মানুষ ও প্রাণীর ভালোবাসা যে সীমান্ত মানে না, তারই এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে এই পোষা বিড়াল ‘ক্যান্ডি’।