সব সময় সব খানে


শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

১৬ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৬
১৬ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> আকরাম হত্যার পর একে একে মুখ খুলছেন নারীরা বিয়ের নামে লাখ লাখ টাকা প্রতারণার অভিযোগ মারুফের বিরু‌দ্ধে

>> সিরাজগঞ্জে যুবলীগের ঝটিকা মিছিলের পর চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

>> ভাঙ্গায় ট্রাকভর্তি ২৫০ বস্তা সার জব্দ: ডিলার আটক

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

পূর্ব শত্রুতার জেরে চাচা-ভাতিজার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে, আহত ১৫


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-21
 পূর্ব শত্রুতার জেরে চাচা-ভাতিজার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে, আহত ১৫
কুমিল্লার মেঘনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে চাচা-ভাতিজার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।

কুমিল্লার মেঘনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে চাচা-ভাতিজার মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

  

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার মুগার চর গ্রামের শান্তি মিয়া ও চান বাদশার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

 

আহতরা হলেন- শান্তি মিয়া (৫৫), মোর্শেদা বেগম (৫৫), জান্নাত (৮), রিণা আক্তার (২৫), বাছিনুর বেগম (৬০), ইমান আলী (৭০), জাহাঙ্গীর (৪৫), খুকি আক্তার (২২), মামুন মিয়া (২৮), রফিকুল ইসলাম (৫৫) ও জহির উদ্দিন (৩৫)। এদের মধ্যে ৩ জন গুরতর আহত হয়েছে।  বাকীরা সবাই চিকিৎসা নিয়ে চলে যান।

 

স্থানীয়দের ধারণা, পুলিশের গ্রেফতার এড়াতে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন তারা।

 

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, শান্তি মিয়া ও চান বাদশা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। তাদের মধ্যে আগে থেকেই মামলা মোকদ্দমা চলে আসছে এবং সেগুলো বিচারাধীন। 

তারই জেরে বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিকালে শান্তি মিয়া ও চান বাদশা মধ্যে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে উভয়ের সমর্থকরা এসে এলোপাতাড়ি রামদা, ছুড়ি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং উভয় পক্ষের ৫টি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। 

এ বিষয়ে মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার সাবরিনা বলেন,  মারামারির ঘটনায় আহত হয়ে ১১ জন রোগী চিকিৎসা নিতে এসে  ছিল। তারা সবাই চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছে। 

 

কী ধরনের ইনজুরি হয়েছে জানতে চাইলে ডাক্তার সাবরিনা বলেন, আমি তখন ছিলাম না।  রাত ৮টার সময় আমি দায়িত্ব নিয়েছি।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত ৫টি ঘরের মধ্যে শান্তি মিয়ার দুটি, চান বাদশার দুটি ও ইমান আলীর একটি ঘর ভাঙচুর করে। এর মধ্যে শান্তি মিয়ার ঘর ভাঙচুরসহ লুটপাট করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। 

ভুক্তভোগী আহত খোরশেদা বেগম জানান, তার ছেলে শাহপরানকে মঙ্গলবার রাতে তুলে নিয়ে গিয়ে বেঁধে রেখে মারধর করা হয়। পরে মাচা চুরির ঘটনার বিষয়টি স্বীকার করানোর জন্য বিভিন্ন জনের নাম বলতে চাপ দেওয়া হয়। আজ এ ঘটনা স্থানীয়দের জানালে প্রতিপক্ষ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের বাড়িঘরে হামলা চালায়। এতে টিনের বেড়া, দরজা, জানালা, ফ্রিজ, থাই গ্লাসসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষ জহির দাবি করেন, শাহপরান বিভিন্ন সময় মাচা, চুলা, জুতা—এ ধরনের জিনিসপত্র চুরি করে। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

মেঘনা থানার ওসি আবদুল জলিল বলেন, আমি কুমিল্লায় ছিলাম, খবর পেয়ে এস আই মশিউরকে ঘটনা স্থলে