চলচ্চিত্রে ধূমপানবিরোধী বার্তা জোরদার ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজকদের আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা। তারা ধূমপান, মাদক এবং ভাষার অপব্যবহার রোধে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের নীতিমালাটি চূড়ান্ত এবং আলাদা একটি গাইডলাইন প্রণয়নে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিএফডিসি’র সেমিনার হলে ‘চলচ্চিত্রে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে পরিচালক-প্রযোজকদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তারা। মাদকদ্রব্য ও নেশা নিরোধ সংস্থা (মানস) এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী।
সভায় বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান এস এম আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিত’র সভাপতি শাহিন সুমন, চলচ্চিত্র পরিচালক ছটকু আহমেদ ও দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, মানসের সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান তালুকদার, প্রত্যাশা’র সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহমেদ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক মো. বজলুর রহমান, বিইআর-ঢাকা ইউনিভার্সিটির প্রকল্প পরিচালক হামিদুল ইসলাম হিল্লোল, ডাব্লিউবিবি ট্রাস্টের হেড অব প্রোগ্রামস্ সৈয়দা অনন্যা রহমান প্রমূখ।
মানসের সিনিয়র প্রজেক্ট এন্ড কমিউনিকেশন অফিসার মো. আবু রায়হানের সঞ্চালনায় সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানসের প্রকল্প সমন্বয়কারী উম্মে জান্নাত।
সভায় বক্তারা বলেন, ধূমপান, মাদক সেবনের দৃশ্য চলচ্চিত্রে তুলে ধরার অর্থ হলো সমাজ, সভ্যতাকে হত্যা করা। দুই ঘণ্টার চলচ্চিত্রে শতাধিক ধূমপানের দৃশ্য ‘কাহিনীর প্রয়োজনে’ নয়, ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে দেখানো হয়।