সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল ৫০০ একর আমন ক্ষেত


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-10
বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেল ৫০০ একর আমন ক্ষেত
সংগৃহীত ছবি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের হাজিখালী খালের বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ৯টি গ্রামের প্রায় ৫০০ একর আমন ক্ষেত। ক্ষতির মুখে পড়েছেন শত শত কৃষক।

সরেজমিন দেখা যায়, পায়রা নদীঘেঁষা অংশে খালের বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় হাজিখালী, মেন্দিয়াবাদ, রানীপুর, সাতবাড়িয়া, দেউলীসহ আশপাশের গ্রামের আমন ক্ষেত জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন জোয়ারে নতুন পানি প্রবেশ করায় বাড়ছে জলাবদ্ধতা।


এ দিকে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) দ্রুত বাঁধ নির্মাণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন জমা দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিকরা। এতে স্বাক্ষর করেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আইউব খান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ, কৃষকদলের সভাপতি খন্দকার আতাহার উদ্দিনসহ আরও অনেকে।


স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, আমন শুকনো মৌসুমের ফসল হওয়ায় দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকলে সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে।


দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের কৃষক মাহাবুব বলেন, আমাদের জীবিকা পুরোপুরি আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। বাঁধ দ্রুত মেরামত না হলে একটি ধানও ঘরে উঠবে না।


উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি খন্দকার আতাহার উদ্দিন জানান, উপকূলীয় এলাকার কৃষকরা মূলত এক মৌসুমের আমন ধানের ওপর নির্ভরশীল। এই ক্ষতি সামলানো কৃষকদের জন্য বড় ধাক্কা হবে, পাশাপাশি রবি মৌসুমেও কোনো ফসল ফলানো সম্ভব হবে না যদি জলাবদ্ধতা না সরে।


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মলিহা খানম বলেন, আবেদন পেয়েছি। দ্রুত স্থান পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।