সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : সারাদেশ

বড়পুকুরিয়ার কয়লার বাড়তি দামে, উত্তোলনে জটিলতা


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-12-10
বড়পুকুরিয়ার কয়লার বাড়তি দামে, উত্তোলনে জটিলতা
সংগৃহীত ছবি

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিএমসিএল) উত্তোলিত কয়লার দাম নিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও বিসিএমসিএলের মধ্যে বিরোধ চলছে। প্রায় এক বছর ধরে খনির উত্তোলিত কয়লার দাম কমানোর চেষ্টা করলেও বড়পুকুরিয়া খনি কর্তৃপক্ষের আপত্তির কারণে সেটি সম্ভব হয়নি। পিডিবি বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার যে দাম, তার চেয়ে বেশি দাম বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার। অন্যদিকে বড়পুুকুরিয়া কয়লা খনি কর্তৃপক্ষ বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে কয়লার দাম মিলিয়ে খনির কয়লার দাম নির্ধারণ অযৌক্তিক। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে কয়লার উত্তোলন আর বড়পুকুরিয়া খনির ভূগর্ভস্থ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন একই বিষয় নয়। সরকারের দুটি সংস্থার মধ্যে দ্বন্দ্বের মধ্যে একাধিক কমিটি গঠন করেছে সরকার। সর্বশেষ গঠিত টেকনিক্যাল কমিটি বলছেÑ গুনগত মান এবং কয়লা উত্তোলনের নানামুখী চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার দাম বেশি পড়ছে।

এসব বিষয়ে জ¦ালানি উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান আমাদের সময়কে বলেন, পিডিবি এবং বিসিএমসিএল কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব জায়গা থেকে যুক্তি তুলে ধরে আলোচনা করছে। আমরা একাধিক কমিটি গঠন করেছি। কমিটির রিপোর্ট নিয়ে বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি বিভাগের দুই সচিবকে একসঙ্গে বৈঠক করে বিষয়টি সমাধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ¦ালানি মন্ত্রণালয়ের দুটি সংস্থার বিরোধের কারণে জ¦ালানি বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ৯ সদস্যের কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়। চলতি সপ্তাহে কমিটি মন্ত্রণালয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছে। কমিটির সূত্রে জানা গেছে, রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়েছে যে, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির কয়লার মান আমদানিকৃত কয়লার চেয়ে অনেক ভালো। কয়লার ক্যালোরিফিক ভ্যালু আমদানিকৃত কয়লার চেয়ে বেশি। তবে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কার্যক্ষমতা কমে যাওয়ায় কয়লার ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে স্থাপিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসমূহের ডিজাইন কার্যদক্ষতা হতে বর্তমানে কম কার্যক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ডিজাইন কার্যদক্ষতা ছিল ৪৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বর্তমানে কার্যক্ষমতা ৩৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ, সিপিজিসিবিএলের ডিজাইন কার্যদক্ষতা ছিল ৪১ দশমিক ৩ শতাংশ, বর্তমানে কার্যক্ষমতা ৪০ দশমিক ৯৮ শতাংশ, বাংলাদেশ ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানির মেশিনারিজের ডিজাইন কার্যদক্ষতা ছিল ৪৩ দশমিক ৬২ শতাংশ, বর্তমানে ৩৮ দশমিক ৮২ শতাংশ। এভাবে প্রতিটি কোম্পানির ডিজাইন কার্যদক্ষতার চেয়ে বিদ্যমান কার্যক্ষমতা কম।

কমিটি বলছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রের ডিজাইন কার্যদক্ষতা বিবেচনায় বর্তমান বড়পুকুরিয়ার কয়লার মূল্য ১৭৬ মার্কিন ডলার (১ মার্কিন ডলার=১২২ টাকা ধরে) ডিজাইন কার্যদক্ষতা অনুসারে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার খরচ দাঁড়ায় ৬ দশমিক ৯৫ টাকা এবং বর্তমান কার্যদক্ষতা অনুসারে ইউনিট-১ হতে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার খরচ

দাঁড়ায় আনুমানিক ১০ দশমিক ৪৭ টাকা। ইউনিট-৩