সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : লালমনিরহাট

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় টুইনপিট লেট্রিন  প্রকল্পে

ঠিকাদারের সঙ্গে অনিয়মে জড়িত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও। 


মোঃ নজরুল ইসলাম

eshomoy.com || 2025-10-29
ঠিকাদারের সঙ্গে অনিয়মে জড়িত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও। 

লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলায় টুইনপিট লেট্রিন  প্রকল্পে  ঠিকাদারের সঙ্গে অনিয়মে জড়িত জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও। 

‎জানা গেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য পর্যাপ্ত ও সমতাভিত্তিক পয়ঃনিষ্কাশন, স্বাস্থ্যবিধিসম্মত জীবন রীতিতে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা এবং খোলা জায়গায় মলত্যাগের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংক ও এশীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাংক (এআইআইবি) অর্থায়নে টুইন পিট ল্যাট্রিন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়, যা এখনো চলমান।

‎জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, এ প্রকল্পের আওতায়

‎এলাকায় সারা দেশে তিন লাখ ৫১ হাজার ২৭০টি হতদরিদ্র পরিবারে বিনামূল্যে টুইন পিট ল্যাট্রিন দেওয়া হয়।

‎ চেয়ারম্যানদের সহায়তায় প্রতিটি ইউনিয়নে ২২৯টি পরিবারের তালিকা তৈরি করেন প্রকল্পের সহযোগী, এনজিও  ওস্থানীয়  প্রতিনিধিরা।

‎সূত্র মতে, প্রতিটি টুইন পিট ল্যাট্রিন নির্মাণে ৩৫ হাজার ১০৮ টাকা করে বরাদ্দ রয়েছে।

‎

‎হাতীবান্ধা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে ২৭৪৮টি ল্যাট্রিন নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯ কোটি ৬৪ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। কিন্তু বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। কাজ চলছে নামকাওয়াস্তে।‎স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিটি ল্যাট্রিন নির্মাণে বরাদ্দের এক-তৃতীয়াংশ অর্থে এসব নির্মাণ কাজ চলছে।  ফলে প্রশ্ন রয়েছে এসবের মান নিয়েও। স্থানীয় আবুল কালাম, রমজান আলী, আরশ আলী, রাহেলা বেগম ও নাম প্রকাশে  কজন বলেন বরাদ্দ ৩৫ হাজার টাকা থাকলেও ঠিকাদার ও অফিসারদের মাঝে ভাগ বাটোয়ারের পর আমরা পাই একভাগ। 

‎এসব ল্যাট্রিন নির্মাণে উপজেলার প্রায় সব ঠিকাদারের সঙ্গে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারাও অনিয়মে জড়িত।

‎বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের এত নিম্নমানের কাজ হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। প্রতিটি ল্যাট্রিন নির্মাণে ১০ ইট, ১০টি রিং, দুটি স্ল্যাব এবং চার ইঞ্চি ব্যাসার্ধের সিমেন্টের তৈরি পিলার এবং কিছু টিন প্রয়োজন। কিন্তু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ উপকরণ প্রদানে দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছে।

‎অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি টয়লেট নির্মাণে প্রকল্প কর্তৃক ব্যয় ৩৫ হাজার ১৩৮ টাকা ধরা হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে সর্বোচ্চ ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। আর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এগুলো নির্মাণে সর্বোচ্চ ১০-১২ হাজার টাকা ব্যয় করছে।

‎উপজেলার নওদাবাস,গোতামারী,শিঙ্গিমারি,টংভাঙ্গা ইউনিয়নে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে,

‎নিম্নমানের ইটের সুড়কি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রিং ও স্ল্যাব। ভেঙে ফেলা রিং ও স্ল্যাবও জোরাতালি দিয়ে ফের লাগানে হয়েছে। প্যান এর চারিদিকে খোয়া, বালু সিমেন্টের  পরিবর্তে মাটি দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে  যার ফলে এগুলোর মান নিয়ে সন্দেহ রয়েছে আবার কোথাও কোথাও দেখা গেছে একই পরিবারের দুইটি লেট্রিন বরাদ্দ  পেয়েছে।

‎

‎এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা জনস্বাস্থ্য উপসহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রাসেল মিয়া  কথা বলতে রাজি না হলেও একই পরিবারে ২টি লেট্রিন দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

‎