সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : লালমনিরহাট

লালমনিরহাটে স্বপন হত্যা মামলায় আনসার আলী মেম্বার ও উড়ি মজিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।


মোঃ বিপুল ইসলাম , স্টাফ রিপোর্টার।

eshomoy.com || 2024-08-18
লালমনিরহাটে স্বপন হত্যা মামলায় আনসার আলী মেম্বার ও উড়ি মজিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।


লালমনিরহাট সদরের বড়বাড়ি ইউনিয়নের বহু আলোচিত (স্বপন) হত্যা মামলার রায় প্রকাশ করেছে লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান। রোববার (১৮ আগস্ট) দুপুরে এই হত্যা মামলায় দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন লালমনিরহাট সদর উপজেলার কিসামত বিদ্যাবাগিশ এলাকার মৃত ওমর আলীর ছেলে আনসার আলী মেম্বার (৬০) ও একই এলাকার মৃত জহির উদ্দিনের ছেলে আব্দুল মজিদ ওরফে উড়ি মজিদ (৫০)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা ২০১৯ সালে লালমনিরহাট সদর উপজলার বড়বাড়ী ইউনিয়নে অবস্থিত বিদ্যাবাগিস গ্রামে জনৈক মিঠু প্রফেসরের জমিতে এলাকার শ্রী বিনোদ চন্দ্রের ছেলে স্বপন রায়কে হত্যা করে। পরে তারা স্বপনের মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায়। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে তারা ওই হত্যাকাণ্ড ঘটান বলে জানা গেছে। হত্যার পরের দিন নিহত স্বপনের ভাই গোবিন্দ রায় লালমনিরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানির পর ওই দুই আসামির বিরুদ্ধে ৩০২/৩৪ ধারা মোতাবেক অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। ফলে আদালত তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

অপর তিন আসামি নরেশ চন্দ্র, ওমিজা বেগম ও মাহবুবার রহমানকে বেকুসুর খালাস প্রদান করেন আদালত। সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি আনসার আলী ও আব্দুল মজিদকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাদের হাজতবাসের দিনগুলো সাজা থেকে বাদ দিতেও বলা হয় আদেশে।

লালমনিরহাট জেলা আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আকমল হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।