ডানাসহ প্রথমবারের মতো আকাশে উড়ল রাশিয়ার বহুল প্রতীক্ষিত যাত্রীবাহী বিমান এমএস- টোয়েন্টি ওয়ান-থ্রি হানড্রেড নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি।
মনে করা হচ্ছে বিমানটি মার্কিন বোয়িং এবং ইউরোপের এয়ারবাসের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে। রুশ কর্তৃপক্ষ বিজয় হিসেবে দেখছে বিমানটির সফল পরীক্ষামূলক উড্ডয়নকে পশ্চিমা দেশগুলোর অবরোধের বিরুদ্ধে।
সফলভাবে টেকঅফ করে এমএস-টোয়েন্টি ওয়ান- থ্রি হানড্রেড চলতি সপ্তাহে সাইবেরিয়ার ইরকুস্ক এভিয়েশন প্লান্ট থেকে।
এদিন প্রথমবারের মত রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কম্পোজিট মেটারিয়ালে তৈরি ডানায় ভর দিয়ে উড়ে বিমানটি যদিও এর আগে বেশ কয়েক দফা বিমানটির টেস্ট ফ্লাইট সম্পন্ন হয়েছে।
বিমানটি নির্মাণ করেছে ইউনাইটেড এয়ারক্রাফট করপোরেশন, রাশিয়ার ইরকুত করপোরেশন এবং ইয়াকোভলেভ ডিজাইন ব্যুরোর সহায়তায়।
নতুন শংকর ধাতু এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে বিমানটি নির্মাণের পথে। অনেকগুলো পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। টেস্ট ফ্লাইটে ব্যবহৃত বিমানটি হলো প্রথম বিমান যার ডানা তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ রাশিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে শংকর ধাতু দিয়ে তৈরি।
ক্রেমলিন শুরু থেকেই বিমানটির ব্যাপারে ব্যাপক আশাবাদী। নতুন বিমানটি বিশ্বের এভিয়েশন মার্কেটে মার্কিন বোয়িং এবং ইউরোপের এয়ারবাসের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আবির্ভূত হবে বলে মনে করছে রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ।
বিমানটির নির্মাণকাজ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে চললেও এর নির্মাণ বাধাগ্রস্ত হয় পশ্চিমা দেশগুলোর দফায় দফায় অবরোধের জেরে।
ধারণা করা হচ্ছে, এমএস-টোয়েন্টি ওয়ান- থ্রি হানড্রেড সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আগামী ২০২২ সালের শেষ নাগাদ ক্রেতাদের হাতে পৌঁছাবে।