গায়কী থেকে কণ্ঠস্বর, সর্বত্রই স্বতন্ত্র ছিলেন প্রয়াত গজলশিল্পী ভূপিন্দর সিংহ। ‘দিল ঢুঁঢতা অ্যায় ফির ওহি’ হোক কিংবা ‘হুজুর ইসকদর ভি না ইতরাকে চলিয়ে’ গানে স্পষ্ট সানুনাসিক স্বর। ভূপিন্দর সিংহের স্মৃতিচারণে এমনটাই দাবি করেন পণ্ডিত যশরাজের কন্যা দুর্গা যশরাজ।
বাংলা, হিন্দি, গজল এমনকি রবীন্দ্রসঙ্গীতও ভূপিন্দর সিংহের কণ্ঠে অন্য মাত্রা পেয়েছে। মৌলিক গানের পাশাপাশি খুব ভাল গিটারও বাজাতে পারতেন এই বর্ষীয়ান শিল্পী। জনপ্রিয় গান, ‘চুরালিয়া হ্যায় তুমনে যো দিল কো’র শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গিটার বাজিয়েছিলেন ভূপিন্দর। রাহুল দেব বর্মনের প্রচুর গানে গিটার বাজিয়েছেন তিনি। তার মৃত্যুতে শোকে মুহ্যমান পুরো সংগীতাঙ্গন।
এদিকে, ভুপিন্দর সিংহের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করলেন শিল্পী পঙ্কজ উধাস। তার কণ্ঠে আক্ষেপের সুর। দাদা সূলভ স্নেহ পেয়েছেন ভূপিন্দর সিংহের কাছ থেকে। তিনি নেই, এটা ভাবতেই পঙ্কজের গলা ভারী হয়ে আসছে।
আনন্দবাজারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পঙ্কজ জানান, "ভারত আজ গজলের অগ্রজ সন্তানকে হারাল। সংগীতের জগতে তার অবদান বলে শেষ করা যায় না। রাহুল দেব বর্মণের সঙ্গে শেষ দিকে অনেক মূল্যবান কাজ রেখে গিয়েছেন। আমাদের কাছে এটা অপূরণীয় ক্ষতি। তিনি আসতে চাইতেন না। আমার দুর্ভাগ্য যে, শেষ সময় দেখা হলো না। বুঝতেই পারিনি, এমন ফাঁকি দিয়ে মানুষটা হঠাৎ চলে যাবেন। আমি এই আফসোস ভুলতে পারব না।"
বার্ধক্যের কারণে দীর্ঘ দিন অসুস্থ ছিলেন ভূপিন্দর সিংহ। স্থানীয় সময়, ১৮ জুলাই সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।