অমিতাভ বচ্চন খারাপ মানুষ, বলিউড বেবো কারিনা কাপুর ছোট বেলায় এমনটাই ভাবতেন। সদ্য শেয়ার করেছেন অমিতাভ বচ্চন 'ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে' কারিনার খারাপ ভাবার আসল কারণ । ১৯৮০-র দশকে তিনি সহ কারিনার বাবা রণধীর কাপুরও দাপিয়ে অভিনয় করছেন -সেই সাক্ষাৎকারে বলেন 'বিগ বি'।
সে সময় রণধীরকে মারার সিন যদি অনস্ক্রিনে অমিতাভের থাকত, সেটি দেখে কারিনা ধারণা করতো , যেহেতু তার বাবাকে মারছেন অমিতাভ, সে কারণে অমিতাভ খারাপ মানুষ ! ‘পুকার’ সিনেমায় ১৯৮৩ সালে এমন দৃশ্য ছিল। অমিতাভের উপর রেগে গিয়েছিলেন সে দিনের ছোট্ট করিনা সেটি দেখে ।
অমিতাভ আরও বলেন, আমরা গোয়াতে ‘পুকার’ সিনেমার শুটিং করছিলাম । একটা সামার হ্যাট পরে শুটিং দেখছিল ছোট্ট করিনা । ও খুব বিরক্ত হয়েছিল আমার ওপর, যখন ওর বাবাকে মারার দৃশ্য ছিল। বাবাকে বাঁচাতে দৌড়ে বাবার কাছে চলে গিয়ছিল আমার মতো খারাপ লোকের হাত থেকে। কারিনা কেঁদে ফেলেছিল। বালি ভর্তি হয়ে গিয়েছিল পা। আমি খারাপ লোক নই, পানি দিয়ে কারিনার পা পরিষ্কার করতে করতে বোঝাতে চেয়েছিলাম।
কারিনা চান তার দুই সন্তান তৈমুর ও জাহাঙ্গীর সিনেমায় আসুক। বেবো মুখ খোলেন দুই সন্তানের ভিন্ন ব্যক্তিত্ব নিয়েও। কারিনা বলেন, জাহাঙ্গীর (জেহ) আমার ও সইফের দু’জনেরই ব্যক্তিত্ব পেয়েছে। তৈমুরের ব্যক্তিত্ব অনেকটাই ওর বাবা সাইফের মতো।
মুখ খুলেছেন দুই ছেলের নাম নিয়ে যে বিতর্ক চলেছে তা নিয়েও। ইতিহাস বলছে, নুরুউদ্দিন মুহাম্মদ সেলিম বা জাহাঙ্গীর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট। তিনি ১৬০৫ সাল থেকে তার মৃত্যু অবধি ১৬২৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। এর আগে প্রথম সন্তানের নাম তৈমুর রাখা নিয়ে সমালোচিত হয়েছিল কাপুর ও খান পরিবার।
নেটিজেনদের একটা বড় অংশ প্রশ্ন তুলেছিলেন, অত্যাচারী শাসক তৈমুরের নামে কী করে ছেলের নামকরণ হতে পারে তা নিয়ে। অন্যথা হয়নি জাহাঙ্গীরের বেলাতেও। কারিনা বলেন, আর কোনও উপায় নেই। ধ্যান করতে হবে আমায় । পিঠ ঠেকে গিয়েছে দেওয়ালে। দুটি পিঠ একটি মুদ্রায়। পজেটিভ-নেগেটিভ। দুই নিষ্পাপ শিশুকে নিয়ে কথা হচ্ছে। আমি পজেটিভ থাকব ও একই সঙ্গে খুশি থাকব।